স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দরে নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু হবে। নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী এবং বিমানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর এলাকায় জেলা বিএনপির আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, “ঠাকুরগাঁও ও বগুড়া বিমানবন্দর প্রকল্প ইতোমধ্যে পরিকল্পনা বিভাগের 'গ্রিন পেইজে' অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই উন্নয়নকাজ শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, জনগণকে হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেএসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, একই মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ ও উদারপন্থী বাংলাদেশের ধারণা তুলে ধরেন, যেখানে সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে বসবাস করবে। তিনি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং দেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।
তিনি জামায়াতের বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করে বলেন, জামায়াত কখনো ক্ষমতায় আসতে পারবে না। তারা স্বাধীনতাবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের পক্ষে ছিল এবং জনগণ তাদের কখনো ক্ষমতায় আনবে না।
ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু হলে উত্তরাঞ্চলের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পর্যটনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। একই সঙ্গে সদর উপজেলাকে ভেঙে দুটি নতুন উপজেলা গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জেলা পর্যায়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের অনুমোদনও পাওয়া গেছে।