প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৪, ২০২৬, ২:৪৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১১:৩০ এ.এম
ধামরাইয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার ধামরাইয়ে মীম আক্তার (১৭) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। রোববার (২৬এপ্রিল) বেলা ২টার দিকে ধামরাই পৌরশহরের পাঠানটোলা আবাসিক এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় এমন চিরকুট রেখে ঐ শিক্ষার্থী তাদের ঘরে সিলিং ফ্যানের সাথে ফাঁস দিয়ে মারা যায় বলে জানা যায়।
মীম আক্তার ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার সেলাহাটি গ্রামের মোঃ মনির হোসেন মেয়ে। তারা বর্তমানে ধামরাই পৌরসভার পাঠানটোলা আবাসিক এলাকায় মোঃ ইমরান হোসেনের বাড়ীতে ভাড়া থাকেন। মীম আক্তার ধামরাই উপজেলার শরীফবাগ এলাকায় আফাজ উদ্দিন কলেজের মানবিক শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। সে তার বাবা-মার সাথে থেকে পড়াশোনা করতো। মীমের বাবা মনির হোসেন ধামরাইয়ে একটি বেসরকারী কম্পানীতে চাকরি করেন।
পুলিশ ও স্থানীরা জানায়, দুপুরের স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ধামরাই সরকারী হাসপাতালে থেকে মীমের লাশটি উদ্ধার করা হয়। তবে পরিবারের কলহের জেরে মা-বাবার সাথে অভিমান করে নিজ কক্ষের ভিতরে সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বাড়ীর মালিক ইমরান হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, মায়ের সাথে কথা বলে নিজের রোমে যায়। মীমের মা ঘন্টাক্ষানেক পরে মীমকে ডাকেন। কিন্তু রোম থেকে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে চিৎকার দেয়। তখন আমি দৌড়িয়ে এসে আমিও মীমকে ডাকি কিন্তু ভিতর থেকে কোন সাড়াশব্দ নেয়। তখন রোমের জানালার কাচ ভেঙে দেখি সিলিং ফ্যানের সাথে মীম ঝুলে আছে। এরপর ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে গিয়ে মীমকে উদ্ধার করে ধামরাই সরকারী হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।
ধামরাই সরকারী হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার সামিরা জানান, মীম আক্তারকে হাসপাতালে আনার পর তাকে আমরা পরীক্ষা নিরিক্ষা করে দেখি হাসপাতালে পৌছানোর আগেই মীম মারা গেছে।
এই বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নাজমুল হুদা খান বলেন, ধামরাই পৌসভার পাঠানটোলা এলাকার কলেজ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে তার লাশ ধামরাই সরকারী হাসপাতালে আছে খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে পরিবারের কোন অভিযোগ না থানায় লাশটি তার বাবা-মার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
Copyright © 2026 কথা ভিশন. All rights reserved.