প্রধানমন্ত্রী কর্মসূচির আওতায় ঢাকার ধামরাই উপজেলায় ৩কিলোমিটার খাল খননের পর খালের দুই পাশে ৪শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতীর গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬জুন) বিকেল ৫টার দিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচি (ইজিপিপি) এর আওতায় ধামরাই উপজেলার বাড়ীগাঁও বাসাইল বিল হতে বংশী নদীগামী অভিমুখে ৩কিলোমিটার খাল পুনঃখনন প্রকল্পের দুই পাশে ৪শতাধীক বৃক্ষরোপন করা হয়।
এ খালটি কুল্লা ইউনিয়নের বাড়ীগাঁও বাসাইল বিল হতে বংশী নদীগামী অভিমুখ পর্যন্ত বিস্তৃত। খাল খননের দুইপাশে বৃক্ষরোপন কর্মসুচির উদ্বোধন করেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আল-মামুন। উপজেলা প্রশাসন ও দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা অফিস আয়োজিত এই প্রকল্পের আওতায় ৩কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং দুই পাড়সহ ১০মিটার প্রস্তের খাল খনন করা হয়েছে।এ প্রকল্পের ব্যায় ধরা হয়েছে ৫৩লাখ টাকা। এতে ২৬৮জন উপকারভোগী ৪০দিন কাজ করবেন এবং প্রতিদিন তাদের মজুরি নিধারণ করা হয়েছে ৫০০টাকা।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন, ধামরাই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ,কে এম মোহিতুল ইসলাম, কুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শাজাহান মিয়া, কুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবুল বাশার, খাল খনন প্রকল্পের সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোঃ মহিউদ্দিন,কুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মোঃ সোলাইমান ইসলামসহ প্রমুখ।
স্থানীয় কৃষক মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শাসনামলে খাল কাটা হয়েছিল। পওে বিগত ১৭ বছরের এটি প্রায় ভরাট হয়ে গিয়েছিল। এইবার খাল পুনঃখননের ফলে পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। আমাদের ফসলে সেচের সুবিধা বাড়বে এবং কৃষি জমির উর্বরতা ফিরে আসবে। এছাড়া খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপনের ফলে পরিবেশ রক্ষা পাবে।
এই সময় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপ্রতি জিয়াউর রহমান দেশের কুষি ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে খাল খনন কর্মসুচীর চালু করেছিলেন। সেই উদ্যোগে বিগত ১৭বছর পর আবারও এই ধরণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। খাল খননের মাধামে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। এরই পাশাপাশি খালে মাছ চাষ ও খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণের সুযোগ তৈরি হবে। এতে আমাদের পরিবেশের সুরক্ষা হবে।