সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শেহবাজ শরিফের ঘোষণা: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে জেনেভায় জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধ, বাবাকে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে দেন ছেলে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল চ্যালেঞ্জ করে রিট বেনজীর প্রত্যর্পণে আইনি জটিলতা, সামনে কী পথ? আদ্-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ, তবে মেডিকেল কলেজ চালু থাকবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী দিল্লিতে প্রবেশে বাধা, সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন জাহেদ উর রহমান ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যু আলোচনার বাইরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায় নতুন মোড় জ্যোতিষ বিশ্লেষণে ১৫ জুনের বিশ্বকাপ ম্যাচে সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেশ-জাতির স্বার্থে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছি : ডা. শফিকুর রোলেক্সের বিলাসবহুল ঘড়ি উপহার পেয়ে চমকে গেলেন শাকিব খান মে মাসে ৬৭৬ দুর্ঘটনা, নিহত ৬৭১: মে মাসে বিপর্যয়ের পরিসংখ্যান প্রকাশ দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম ১০ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে জয়ার ‘অর্ধাঙ্গিনী’র সিক্যুয়াল বড় আকারেরও বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য: এফবিসিসিআই আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল সমর্থকদের রঙিন র‍্যালিতে ফুটবল উন্মাদনায় কাঁপল নীলফামারী সাভারে পেশাদার ৩মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক মোরেলগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে ১০ লাখ নকল সিগারেটসহ চোরাই মালামাল ও যন্ত্রাংশ উদ্ধার ধামরাইয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন
Notice :

জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধ, বাবাকে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে দেন ছেলে

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে এক ভয়ংকর ও চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে যেখানে এক ছেলে পরিকল্পিতভাবে তার বাবাকে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে দেন। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে দাফন করেছিল।

তদন্তে জানা যায়, একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবাকে ফাঁদে ফেলা হয়। পরে তাকে সেই নারীর পরিচিত বাসায় ডেকে নেওয়া হয় এবং সেখানে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে অচেতন করা হয়। এরপর অচেতন অবস্থায় তাকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে শেষে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ নগরের আউটার রিংরোড এলাকায় জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি ঘটেছিল প্রায় দুই বছর আগে। তখন হালিশহর রিংরোড এলাকার একটি জঙ্গল থেকে ৬০ বছর বয়সী মীর মুজিবুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় তাকে অজ্ঞাত হিসেবে দাফন করা হয়।

পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে আসে, নিহত ব্যক্তি ছিলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা এবং পেশায় বাবুর্চি। তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন জমি বিক্রিকে কেন্দ্র করে বাবার ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিতে জানান।

তদন্ত অনুযায়ী, বাবার জমি বিক্রি ঠেকাতে বেলাল নিজেকে দালাল পরিচয়ে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং পরে একটি নারী বন্ধুর মাধ্যমে তাকে ফাঁদে ফেলা হয়। ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে বাবাকে সেখানে ডেকে নেওয়া হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী সহযোগিতা করেন বেলালের এক আত্মীয়ও।

ঘটনার দিন অচেতন অবস্থায় ভিকটিমকে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে পরে মাইক্রোবাসে করে আউটার রিংরোডে নেওয়া হয় এবং সেখানে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়।

পিবিআই জানায়, মরদেহ উদ্ধারের পরও পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরে দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে দুই বছর পর নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হয়।

এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেন ও তার সহযোগী আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নারীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিহতের মেয়ে সালমা বেগম এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন নির্মম ঘটনা আর না ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *