মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মোরেলগঞ্জে মতবিনিময় সভা কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ এডিপিতে ‘কাগুজে প্রকল্পের’ ছড়াছড়ি, বরাদ্দহীন তালিকায় ১০৬৩ প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন চ্যানেল আইতে পাঁচ তারকার আড্ডা : স্মৃতিময় একদিন হাসনাত আবদুল্লাহ ও মোশাররফ করিমের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন তাসনিম জারা কারিকুলাম সংস্কারসহ শিক্ষায় নতুন যুগের সূচনা : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আশুরার মিছিলে অস্ত্র ও আতশবাজি নিষিদ্ধ : ডিএমপি আদ-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালকের পদত্যাগ, দায়িত্বে জামালুন্নেসা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে একদিনে ডিএমপির ২২০১ মামলা ‘সংবাদপত্রের কালো দিবস’: গণমাধ্যমের ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায় স্মরণ বিশ্বকাপের মাঝপথে নেইমারকে নিয়ে দুঃসংবাদ, নকআউট পর্বেও অনিশ্চয়তা মায়াময় সুর সরকারি বাজেটে তথ্য উপস্থাপনায় অমনোযোগিতা ও বিভ্রান্তি : দেবপ্রিয় চাপে বেনজীরের সাভানা ইকো রিসোর্টের ভবিষ্যৎ ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিল্লি বিমানবন্দরে উপদেষ্টাকে আটকে রাখা দুঃখজনক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব সারাদেশে দুই হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের ঘোষণা কৃষিমন্ত্রীর কাশিমপুরসহ কারাগারে কত শিশু আছে : তথ্য চাইলো হাইকোর্ট ৬০ বছর পর শৈশবের বিদ্যাপীঠে ফিরে আবেগে আপ্লুত মেজর জেনারেল মাহবুব হায়দার খান
Notice :

চাপে বেনজীরের সাভানা ইকো রিসোর্টের ভবিষ্যৎ

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগী টোল গ্রামে অবস্থিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের গড়ে তোলা সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক এখনো বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। প্রধান ফটক বন্ধ থাকলেও কয়েকজন কর্মী সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন। ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় পুকুর, কটেজ, সুইমিংপুল ও অন্যান্য অবকাঠামো তবে দর্শনার্থীর উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

আদালতের নির্দেশে জব্দ হওয়া এই পার্কটি বর্তমানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুনে পার্কটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং পরে জেলা প্রশাসন ও দুদক যৌথভাবে এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। কৃষিজমির দেখভাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং জলাশয় ও পুকুর দেখভালের দায়িত্ব মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে দেওয়া হয়।

এরপর দরপত্রের মাধ্যমে ইজারায় পার্কটি পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে প্রথমবার এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়, যেখানে পার্ক ও পুকুর মিলিয়ে নির্দিষ্ট অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে ইজারার মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি করে পুনরায় পার্কটি ইজারা দেওয়া হয়, তবে এবার পুকুর অংশ ইজারা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, পার্কটিতে বর্তমানে সীমিত সংখ্যক কর্মী কাজ করছেন এবং মাসিক ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য। যদিও শীত মৌসুমে দর্শনার্থী কিছুটা বাড়ার আশা থাকে তবে সামগ্রিকভাবে আগের তুলনায় আয় ও দর্শনার্থী সংখ্যা কমে গেছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও অভিযোগের প্রভাব এখনো এলাকায় রয়ে গেছে। অনেকে তাদের জমিতে প্রবেশের সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন।

বর্তমানে পার্কটি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এর কার্যক্রম সীমিত আকারে চলছে এবং ভবিষ্যতে ইজারা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালনা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *