রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মে মাসে ৬৭৬ দুর্ঘটনা, নিহত ৬৭১: মে মাসে বিপর্যয়ের পরিসংখ্যান প্রকাশ দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম ১০ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে জয়ার ‘অর্ধাঙ্গিনী’র সিক্যুয়াল বড় আকারেরও বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য: এফবিসিসিআই আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল সমর্থকদের রঙিন র‍্যালিতে ফুটবল উন্মাদনায় কাঁপল নীলফামারী সাভারে পেশাদার ৩মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক মোরেলগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে ১০ লাখ নকল সিগারেটসহ চোরাই মালামাল ও যন্ত্রাংশ উদ্ধার ধামরাইয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রতিটি নাগরিকের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই’ : মির্জা ফখরুল সব নাগরিককে বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী মোড়েলগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত পাতলী খালের পুন:খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এবার বিদায় রাজ্যসভা থেকে কোয়েল মল্লিকের ফাহিমার জন্য ন্যায়বিচার চাই: রোটারিয়ান ড. মীর শাহ আলম সাইবার সুরক্ষা আইনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ, ভুয়া কনটেন্ট অপসারণে আসছে নতুন বিধান বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৯ হাজার ২০১ প্রার্থী প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র সালমান শাহর মাকে হুমকির অভিযোগ: কী বললেন অভিনেতা শিবা শানু?
Notice :

টিনশেডের ‘তপ্ত চুল্লি’ ক্লাসরুমে : ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা

নিজস্ব প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাড়াতলী পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র গরমে পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। টিনশেডে নির্মিত শ্রেণিকক্ষগুলো প্রচণ্ড রোদের তাপে এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে সেগুলোকে অনেকেই ‘তপ্ত চুল্লি’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, দিনের বেলায় শ্রেণিকক্ষগুলোতে তীব্র গরম ও দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ফলে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে থাকতে না পেরে বাইরে বের হয়ে যায়। বেঞ্চে স্কুলব্যাগ থাকলেও অধিকাংশ সময় কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে থাকে। শিক্ষকরা উপস্থিত থাকলেও চরম অস্বস্তিকর পরিবেশে নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সীমিত সংখ্যক স্ট্যান্ড ফ্যান থাকলেও তা দিয়ে পুরো শ্রেণিকক্ষের গরম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন বা অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা জানান।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত অতিরিক্ত ফ্যান, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা না হলে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারা আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের নানা কথা বলা হলেও বাস্তবে শিক্ষার্থীদের জন্য মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় শেখার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পুরো এলাকার প্রাথমিক শিক্ষায় পড়বে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা, যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য সহনীয় শ্রেণিকক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *