শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষা শনিবার গাইবান্ধায় বহুল আলোচিত ‘ইচ্ছাপূরণের মেলা’ চীন থেকে এসে তরুণীকে বিয়ে কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ‘টাকা ছাপানো বন্ধ না হলে সংকট বাড়বে’ বিশেষজ্ঞদের কঠোর বার্তা সীমান্তে ১৫ বিজিবির বিশেষ অভিযান ভারতীয় মাদক ও শাড়ি-প্যান্ট জব্দ জ্বালানি তেলের ব্যয় বৃদ্ধি ভোক্তার ওপর প্রভাব ফেলবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী পার্বত্য মন্ত্রীর আশ্বাসের ভিড়েও অন্ধকারে ‘অনাথ’ জনপদ ১২ দিন অসুস্থ রোগীকে কাঁধে নিয়ে পাহাড় পাড়ি দুর্গম সীমান্তে বাস্তবতার চিত্র বিশ্ববাজারে ফের কমলো স্বর্ণের দাম রাজশাহীতে পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ৪ জুন নয়, এবার ২১ মে—জাতীয় চা দিবসের নতুন তারিখ ঘোষণা বাস ভাড়া বৃদ্ধিতে অস্থিরতা ঢাকার রাস্তায় ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি জাহাজ জব্দে উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে হামলা: রক্তক্ষরণে হাসপাতালে বৃদ্ধের মৃত্যু কুড়িগ্রামে হত্যা মামলার আসামীকে মানিকগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করল র‍্যাব টিনশেডের ‘তপ্ত চুল্লি’ ক্লাসরুমে : ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা রপ্তানি খাতে গতি আনতে আবারও চালু প্রি-শিপমেন্ট ঋণ সুবিধা শিক্ষিকাকে জুতা দিয়ে মারধরের অভিযোগ, বিএনপি নেতা দল থেকে বহিষ্কার এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল করল সরকার জাতীয় সংকটে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উত্তপ্ত কাঁচাবাজার
Notice :

টিনশেডের ‘তপ্ত চুল্লি’ ক্লাসরুমে : ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা

নিজস্ব প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পাড়াতলী পশ্চিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র গরমে পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। টিনশেডে নির্মিত শ্রেণিকক্ষগুলো প্রচণ্ড রোদের তাপে এতটাই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে যে সেগুলোকে অনেকেই ‘তপ্ত চুল্লি’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, দিনের বেলায় শ্রেণিকক্ষগুলোতে তীব্র গরম ও দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ফলে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে থাকতে না পেরে বাইরে বের হয়ে যায়। বেঞ্চে স্কুলব্যাগ থাকলেও অধিকাংশ সময় কক্ষগুলো ফাঁকা পড়ে থাকে। শিক্ষকরা উপস্থিত থাকলেও চরম অস্বস্তিকর পরিবেশে নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সীমিত সংখ্যক স্ট্যান্ড ফ্যান থাকলেও তা দিয়ে পুরো শ্রেণিকক্ষের গরম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চললেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন বা অতিরিক্ত সুবিধা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে তারা জানান।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়টিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত অতিরিক্ত ফ্যান, পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা না হলে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তারা আরও বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের নানা কথা বলা হলেও বাস্তবে শিক্ষার্থীদের জন্য মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত না হওয়ায় শেখার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পুরো এলাকার প্রাথমিক শিক্ষায় পড়বে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা, যাতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের জন্য সহনীয় শ্রেণিকক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *