রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মে মাসে ৬৭৬ দুর্ঘটনা, নিহত ৬৭১: মে মাসে বিপর্যয়ের পরিসংখ্যান প্রকাশ দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম ১০ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে জয়ার ‘অর্ধাঙ্গিনী’র সিক্যুয়াল বড় আকারেরও বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য: এফবিসিসিআই আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল সমর্থকদের রঙিন র‍্যালিতে ফুটবল উন্মাদনায় কাঁপল নীলফামারী সাভারে পেশাদার ৩মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শার্শা বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক মোরেলগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মানববন্ধন মোরেলগঞ্জে ১০ লাখ নকল সিগারেটসহ চোরাই মালামাল ও যন্ত্রাংশ উদ্ধার ধামরাইয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রতিটি নাগরিকের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই’ : মির্জা ফখরুল সব নাগরিককে বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী মোড়েলগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত পাতলী খালের পুন:খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এবার বিদায় রাজ্যসভা থেকে কোয়েল মল্লিকের ফাহিমার জন্য ন্যায়বিচার চাই: রোটারিয়ান ড. মীর শাহ আলম সাইবার সুরক্ষা আইনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ, ভুয়া কনটেন্ট অপসারণে আসছে নতুন বিধান বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৯ হাজার ২০১ প্রার্থী প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র সালমান শাহর মাকে হুমকির অভিযোগ: কী বললেন অভিনেতা শিবা শানু?
Notice :

লালমনিরহাটে ধুন্দল চাষ: কৃষকদের লাভবান হওয়ার নতুন পথ

নিজস্ব প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের কৃষকরা আগাম বর্ষাকালীন সবজি ধুন্দল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। জেলার প্রায় ৪০টি গ্রামের কৃষকের প্রধান ফসল নানা জাতের সবজি হলেও এবার দেখা যাচ্ছে, ধুন্দল চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শিয়ালখাওয়া, চাঁপারহাট, ভোটমারী, দৈখাওয়া, সিঙ্গিমারী, কুমড়িরহাট, চন্দনপাট, বড়কমলাবাড়ীসহ বহু গ্রামে ছড়িয়ে আছে ধুন্দলের সবুজ ক্ষেত যেখানে হলদে ফুল ঝুলে আছে সবুজ পাতার মাঝে।

ধুন্দল কিউকারবিটাসি পরিবারের আরোহী গাছ। এটি শসা বা লাউয়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও এর ফল বা ছোবড়া বেশি পরিচিত। এক সময় ঝোপঝাড়ে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এই গাছ এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে। এতে কৃষকরা আত্মকর্মসংস্থান নিশ্চিত করছেন এবং বাড়তি আয় করছেন।

লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলা লালমনিরহাট সদর, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা, পাটগ্রামসহ ৪৫টি ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভা জুড়ে বহু বছর ধরে ধুন্দল চাষ হয়ে আসছে। কম খরচে স্বল্প সময়ে বেশি ফলন পাওয়া যায় বলে এখন জেলার অধিকাংশ পরিবার ধুন্দল চাষে যুক্ত।

কৃষকরা জানান, বীজ রোপণের ৫০–৫৫ দিন পর ধুন্দল তোলা শুরু হয়। তিন থেকে সাড়ে তিন মাস পর্যন্ত ফসল উৎপাদন করা যায়। আগাম তোলা ফসল প্রতি কেজি ৪০–৪৫ টাকা দরে বিক্রি হয়, বর্তমান সময় ২৫–৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে প্রায় ৫০ মণ ফলন হয়, খরচ ২০–২৫ হাজার টাকা এবং আয় ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা।

ফুলগাছ এলাকার ধুন্দল চাষি মো. আঞ্জু বলেন, আমি নিজের পরিশ্রম ও সামান্য সার ব্যবহার করে ধুন্দল চাষ করেছি। নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। কোদালখাতা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম জানান, আগে অল্প জমিতে ধুন্দল চাষ হতো এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব জানান, বহু জমিতে ধুন্দল চাষ হচ্ছে। এ চাষে রোগবালাই কম এবং লাভজনক হওয়ায় গ্রামের কৃষকরা এতে আগ্রহী। জমি ফেলে রাখার পরিবর্তে এখন তা চাষে ব্যবহার হচ্ছে। ধুন্দল চাষের প্রসার ঘটে আর কৃষকরা আয়ের নতুন পথ পেয়েছেন।

লালমনিরহাটে ধুন্দল এখন কৃষকের আয়ের প্রধান উৎস যা বেকারত্ব কমাতে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *