সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসভিত্তিক সংগঠন ‘সাভার দলিল লেখক কল্যাণ সমিতি’র নির্বাচন আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের মোট ১৩টি পদের বিপরীতে ২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংগঠনের সদস্যদের মধ্য থেকে ৭ সদস্যের একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি দায়িত্ব পালন করছে।
জানা গেছে, সমিতির মোট ২৬৮ জন সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আগামী ১৯ মে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর থেকেই প্রচারণা ও গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। বিশেষ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় নির্বাচনটি বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোঃ আকতার হোসেন, মোঃ আফছার উদ্দিন এবং মোঃ এরফান উদ্দিন খান রিপন। সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন মোঃ আমিনুর রহমান, মোঃ হাবিবুর রহমান বাদল ও শেখ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, আবুল বাসার চৌধুরী এবং মোঃ মজিবুর রহমান। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন নূর মোহাম্মদ, সরকার মোঃ আশরাফুল মোমেনিন ও আশাধন সরকার।
এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে লড়ছেন মোঃ হুমায়ুন কবীর ও হাজী মোঃ মাসুদ রানা। কোষাধ্যক্ষ পদে রয়েছেন আবু জাফর আহমেদ ও মোঃ কবীর হোসেন। দপ্তর সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং শেখ মাহবুব হাসান রকি।
প্রচার সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন মোস্তফা কামাল ও সৌরভ দাস (জয়)। ধর্ম সম্পাদক পদে লড়ছেন মোঃ আবদুর রহিম এবং হাজী মোঃ তমিজ উদ্দিন।
অন্যদিকে কার্যকরী সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন মোঃ আবুল কালাম আজাদ, মোহাম্মদ আলীম, সুকুমার সাহা (কমল) ও রাশেদুল কবীর নিশু।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। তাদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে দলিল লেখকদের পেশাগত মানোন্নয়ন, কল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং সমিতিকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করা।
সাধারণ সদস্যদের প্রত্যাশা, একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়ে সংগঠনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।