ঢাকার ধামরাইয়ের এক কৃতি সন্তান; যিনি সেবা, জনপ্রিয়তা, জনপ্রতিনিধিত্ব এবং রাজনৈতিক সফলতার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ন্যায় ও সততার সমাঝদার জনপ্রিয় এই মানুষটি। তিনি শিক্ষানুরাগী। রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দক্ষতা এবং মানবীয় গুণাবলী তাঁকে এতটাই জনপ্রিয় করে তুলেছে যে, রাজনীতি ও জনপ্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে পরাজয়ের গ্লানী তাকে কখনও স্পর্শ করতে পারে নি। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ পরযন্ত যতগুলো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন তার সবগুলোতেই বিজয়ের গৌরব অর্জন করেছেন তিনি।
অতিসম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২০ (১৯৩) ধামরাই আসন থেকে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে অভাবনীয় সাফল্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। এই নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সর্বমোট ১৪৭ টি কেন্দ্রের প্রত্যেকটি কেন্দ্রেই সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন এই বিএনিপি নেতা। তবে তার এই বিজয়কে তিনি ধামরাইবাসীর বিজয় বলে অখ্যায়িত করে তিনি ধামরাইবাসীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তাঁর প্রথম জনপ্রতিনিধিত্ব শুরু হয় ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। প্রাপ্ত তথ্য মতে ১৯৮৩ সালে তিনি ধামরাই সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এখান থেকে শুরু হয় তার রাজনৈতিক অগ্রযাত্রার উর্ধগতি। এর পর তাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এর পর ১৯৯০, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালে তিনি তিন মেয়াদে ধামরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
সেই ধারাবাহিকতায় তিনি এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ের গৌরব অর্জন করে তিনি এক অনন্য চমক প্রদর্শন করেন। এই বর্ণাঢ্য বিজয়ের মধ্য দিয়ে ধামরাইবাসী প্রমান করে দিয়েছে যে তিনি গণমানুষের ভালবাসায় সিক্ত, তিনি অপরাজেয়।
শুধু কল্পনা নয়, বাস্তবতা থেকেও গল্পের সৃষ্টি হয়। মানব জীবন ঘটনাবহুল। প্রতিটি মানুষের জীবনই একটি গল্পগ্রন্থ। এই বাস্তবতাটুকু যদি গল্পে রূপান্তরিত হয়, তবে সেই গল্পেরও একজন নায়ক থাকবেন। আর ধামরাইয়ের কৃত সন্তান একটি সুন্দর দেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা সদ্য নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন হবেন সেই গল্পের অপরাজেয় মহানায়ক।