প্রতীক্ষা, উত্তাপ এবং নানামুখী শঙ্কার মধ্যেও শেষ পর্যন্ত বড় কোনও সহিংসতা বা প্রাণহানি ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের জন্য অপেক্ষায় করছে।
সংঘর্ষ, কেন্দ্র দখল কিংবা বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে- ভোটের আগে আশঙ্কা করেছিলেন অনেকে। তবে নির্বাচনের দিন বাস্তব চিত্র ছিল অন্য রকম। উত্তেজনাপূর্ণ বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত। ফলে স্বস্তির বাতাস বইছে দেশ জুড়ে।
এটি শুধু প্রশাসনিক সাফল্য নয়; রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষের সহনশীলতাও বড় ভূমিকা রেখেছে-এমন অভিমত সংশ্লীষ্টদের। দীর্ঘকাল পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও নিরবচ্ছিন্ন ভোটের প্রত্যাশায় ছিল জনগণ। তারা সংঘাত নয়, শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে চেয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি সেই প্রত্যাশারই প্রতিফলন। রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও ভোটারদের এই সচেতনতা নির্বাচনকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সহিংসতার শঙ্কা জোরালো ছিল। বিশেষ করে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ এলাকাগুলো নিয়ে প্রশাসন ও জনমনে উদ্বেগ ছিল। তবে বাস্তবে দেখা গেছে, বিচ্ছিন্ন কিছু উত্তেজনা ছাড়া বড় ধরনের সংঘর্ষ বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।