থাইল্যান্ডে জ্বালানি সাশ্রয়ের নির্দেশনা থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল দেশটিতে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এর অংশ হিসেবে সরকারি আমলাদের বিদেশ সফর সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং দৈনন্দিন দাপ্তরিক কাজে লিফটের পরিবর্তে সিঁড়ি ব্যবহার করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও নির্দেশ দিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা সম্ভব হলে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাসা থেকে কাজ চালিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবেন। থাইল্যান্ডের জ্বালানিমন্ত্রী আত্তাপোল রের্কপিবুন জানিয়েছেন, দেশটির হাতে আগামী ৯৫ দিনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে। তবু সম্ভাব্য ঘাটতি এড়াতে থাইল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে অতিরিক্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সরকারের বর্তমান নীতি অনুযায়ী, নতুন উৎস খুঁজে বের করার চেয়ে বিদ্যমান জ্বালানির চাহিদা কমানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দেশের জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৮ শতাংশ মেটানো হয় প্রাকৃতিক গ্যাসের মাধ্যমে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি আসে থাইল্যান্ড উপসাগরের নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্র থেকে। বাকি ৩৫ শতাংশ প্রয়োজনীয় গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়, যার মধ্যে ১৩ শতাংশ সরবরাহ করে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার। সরকারের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে লক্ষ্য, দেশের জ্বালানি সংকটের প্রভাব হ্রাস করা এবং সরকারি খাতে জ্বালানি ব্যবহারের জন্য স্থায়ী সাশ্রয় নিশ্চিত করা।