বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

ধামরাইয়ে কাঠের গুড়া ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে মশার কয়েল

ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
উপজেলারবড়চন্দ্রাইল কয়েল কারখানা থেকে তোলা ছবি।

বাংলাদেশ স্ট্যার্ন্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) এর অনুমোদন গ্রহণ না করেই কাঠের গুড়া ও মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করে অবৈধভাবে মশার কয়েল তৈরি করে আসছে ধামরাই বড় চন্দ্রাইল এলাকায় নিম পাতা এক্সট্রা পাওয়ার মশার কয়েল।

নীতিমালা অনুযায়ী, মশা মারার জন্য নয় বরং মশা তাড়াতে কয়েল উৎপাদন ও ব্যবহারের কথা। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে কয়েল প্রস্তুতকারকরা উচ্চমাত্রায় কেমিক্যাল প্রয়োগ করে তৈরি করছে মশার কয়েল। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে।

শুক্রবার (১০এপ্রিল) সরেজমিন ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে ধামরাই উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের বড় চন্দ্রাইল এলাকার মোঃ পান্না মিয়ার কারখানায়।
অনুমোদন ছাড়া এই ধরনের বিষাক্ত কয়েল প্রস্তুত ও বাজারজাত বন্ধ করার ক্ষেত্রে দেশের পণ্যের মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসটিআই ও উপজেলা প্রশাসনের কোন কার্যকর পদক্ষেত্র নেই বললেই চলে। তবে মালিক পক্ষ সংবাদকে বলেন, আমাদের ব্যবসা অবৈধ হলেও আমরা প্রভাবশালী সবপক্ষকে ম্যানেজ করেই কারখানা চালাই।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা জানান, বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে মশার কয়েল তৈরি করার কারণে আমাদের এলাকার অনেক মানুষের শ্বাসকষ্ট, কিডনি রোগ, লিভারের রোগ সহ বিভিন্ন ধরণের অসুখ বিসুখে ভোগছে। বিশেষ করে বাচ্চাদের বেশি ক্ষতি করছে মশার কয়েল। তারা দিনের বেলায় কারখানার দরজা বন্ধ করে ভিতরে কাজ করে আর রাতের বেলায় গাড়ি দিয়ে কয়েল নিয়ে বিভিন্ন দোকানে দোকোনে বিক্রি করেন।

এই বিষয়ে মোঃ খোরশেদ আলম নামে এক ব্যাক্তি বলেন, যে কয়েলে মশা মরবে, সেই কয়েলে মানুষও অসুস্থ হবে। এই ক্ষেত্রে বিশেষ করে বাচ্চারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই সকল অবৈধ কারখানার মালিকগণের জবাবদিহীতা নেই। তাই তারা তাদের ইচ্ছামত কেমিক্যাল দিয়ে কয়েল তৈরি করছে। যা মানবস্বাস্থ্যর জন্য হুমকি স্বরূপ।

এই বিষয়ে ধামরাই সরকারী হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আহমেদুল হক তিতাস জানান, অবৈধ মশার কয়েল কারখানায় এগ্রিকালচারাল পেসটিসাইড-এপি (কৃষি কাজে ব্যবহৃত কীটনাশক) উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এই কীটনাশক মানব স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। যা মশার কয়েল তৈরিতে ব্যবহার করেন মালিকগণ। মশার কয়েলে পাবলিক হেলথ পেসটিসাইড(পিএইচপি) বা মানবস্বাস্থ্যের জন্য সহনীয় কীটনাশক ব্যবহার করার কথা। কিন্তু অবৈধ কারখানার যে হেতু জবাবদিহি নেই পিএইচপির কথা বলে এপি ব্যবহার করেন। যা মানবদেহের মারাত্ম ক্ষতি করে।

কয়েল কারখানার বিষয়ে জানতে চাইলে কারখানার মালিক পান্না মিয়া বলেন, মশার কয়লে কারখানা চালাতে আবার কাগজ পত্র লাগেনি। এলাকার ভাইদের সাথে কথা বলে কারখানা চালাই। তাছাড়া উপরের সবাইকে ম্যানেজ করেই চলতে হয়।

এই বিষয়ে ধামরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আল-মামুন বলেন, ধামরাইয়ে বিএসটিআই ও পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া মশার কয়েল কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে দ্রুত মশার কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *