মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: ময়মনসিংহ থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার

বিশেষ প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার আসামি আমান উল্লাহ সাগরকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। মামলার ১৩ দিন পর বুধবার ভোরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৪ মিডিয়ার কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলামও গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, দুপুরে র‌্যাব আসামিকে থানায় হস্তান্তর করবে।

গ্রেপ্তার হওয়া আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি ওই গ্রামের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে তিনি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন যেখানে তার স্ত্রীও শিক্ষকতা করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর মাসে আমান উল্লাহ সাগর ওই কিশোরীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। কাউকে জানালে প্রাণহানি হুমকি দেওয়া হয় এবং অন্য শিক্ষককে বিষয়টি জানালে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। পাঁচ মাস পরে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখে তার মা সত্যটি জানতে পারেন।

এরপর ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে আমান উল্লাহসহ দুইজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মদন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর আসামি এলাকা ছাড়েন।

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজেকে স্বচ্ছ প্রমাণের জন্য একটি ভিডিও বার্তা ছড়িয়ে দেন। ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, দেশের আইন সঠিক অপরাধীকে চিহ্নিত করবে। আমার বিরুদ্ধে আগেভাগে অভিযোগ দেওয়ার ফলে আসল অপরাধী পলায়ন পেতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *