মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

কাঁধে স্ত্রীর, বুকে ছেলের লাশ—ভিডিও করতে ব্যস্ত ছিল ভিড় ‘সবাই ভিডিও করছিল, কেউ এগিয়ে আসেনি’

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীতে ট্রেন দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও দেড় বছরের ছেলেকে হারিয়ে লাশ কাঁধে নিয়ে রেললাইন পার হতে হয়েছে এক পিতা সুজন মিয়াকে। তার সঙ্গে ছিল জীবিত আরেক সন্তান ও কিছু শপিং ব্যাগ। কিন্তু আশপাশে ভিড় থাকলেও কেউ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেনি—অভিযোগ তার।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৭ মে নরসিংদী রেলস্টেশনে। ঈদের কেনাকাটা শেষে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকাগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় স্ত্রী সাথী বেগম (২৭) এবং দেড় বছরের ছেলে সাফওয়ান ওরফে হাসেম নিহত হন।

রোববার (১ জুন) কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুজন মিয়া বলেন, ট্রেন আসার সময় তারা বুঝতে পারেননি। হঠাৎ ট্রেনের সামনে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটে যায়।

তিনি বলেন, “আমি কাঁধে স্ত্রীর লাশ আর বুকে ছেলের লাশ নিয়ে একাই রেললাইন পার হয়েছি। পাশে শত শত মানুষ ছিল, কিন্তু কেউ সাহায্য করেনি। সবাই শুধু ভিডিও আর টিকটক করছিল।”

দুর্ঘটনার পর তাকে জীবিত সন্তানকে নিয়ে এবং দুই লাশসহ একা পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় বলে জানান তিনি।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মানবিক সহায়তার পরিবর্তে ভিডিও ধারণের বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পর বিপুল সংখ্যক মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হলেও সাহায্যের হাত বাড়ানো খুবই কম ছিল।

নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ দিলীপ কুমার জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরে নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *