পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না লক্ষীরানীর
ধামরাই প্রতিনিধি
Update Time :
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
/
৫৩
Time View
/
Share
ঢাকার ধামরাইয়ে পরকীয়া প্রেমিক স্বপন অধিকারীর সাথে পালিয়ে গিয়ে লক্ষীরাণী (৩০) নামের এক গৃহবধু গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মাহত্যা করেছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (৯জুন) দুপুরে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল এলাকার চিত্ত রায়ের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রাতে কান্দিকুল গ্রামে চিত্ত রায়ের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় প্রেমিক স্বপন অধিকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত লক্ষীরানী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার ধীরেন্দ্র মন্ডলের মেয়ে। একই থানার তক্তার চালা গ্রামের রমেন সরকারের স্ত্রী। অন্যদিকে প্রেমিক স্বপন অধিকারী এইক থানার বংশীনগর হলুদিয়া গ্রামের রবীন্দ্র অধিকারীর ছেলে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, লক্ষীরানী পরকীয়া প্রেমিক স্বপন অধিকারীর সাথে সোমবার রাত ৮টার দিকে প্রেমিক স্বপনের হাত ধরে চিত্ত রায়ের বাড়ীতে পালিয়ে আসেন। প্রেমিকা লক্ষ্মীরানীকে চিত্ত রায়ের বাড়ীতে রেখে স্বপন অধিকারী রাতে বোন জামাইয়ের বাড়ী কেলিয়া পালিয়ে যায়। এরপর লক্ষীরানী চিত্ত রায়ের বাড়ীতে ঘরের ভিতরে নিজের ওড়না দিয়ে আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এই বিষয়ে স্বপন অধিকারীর ফুফাতো ভাইয়ের স্ত্রী দূর্গারানী বলেন, স্বপন রাতে লক্ষীরানী নামে একটি মহিলা নিয়ে আমাদের বাড়ীতে আসে। এই সময় তারা দুইজনই ঘরের ভিতরে ছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পর ঘর থেকে বের হয়ে স্বপন অধিকারী দুর্গারানীর কাছে একটা গামচা চায়। পরে সে গামছা দিলে ঘটনাস্থলে থেকে পালিয়ে কেলিয়া মনি দাস এর বাড়ীতে চলে যায়। রাতে দুর্গারানী ঘরে শুয়ে ছিল। সকালে তাকে ডাকলে ঘর থেকে কোন সারা শব্দ না পেয়ে ঘরের জানালা দিয়ে দেখি সে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। মনির দাসের বাড়ীতে স্বপন অধিকারীকে আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ধামরাই ওসি তদন্ত শহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লক্ষ্মীরানী নামের ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছি। প্রেমিক স্বপন অধিকারীকে মনি দাসের বাড়ী থেকেআটক করা হয়েছে। এবিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়াধীন।