মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

চাপে বেনজীরের সাভানা ইকো রিসোর্টের ভবিষ্যৎ

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বৈরাগী টোল গ্রামে অবস্থিত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের গড়ে তোলা সাভানা ইকো রিসোর্ট অ্যান্ড ন্যাচারাল পার্ক এখনো বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। প্রধান ফটক বন্ধ থাকলেও কয়েকজন কর্মী সেখানে দায়িত্ব পালন করছেন। ভেতরে প্রবেশ করলেই দেখা যায় পুকুর, কটেজ, সুইমিংপুল ও অন্যান্য অবকাঠামো তবে দর্শনার্থীর উপস্থিতি নেই বললেই চলে।

আদালতের নির্দেশে জব্দ হওয়া এই পার্কটি বর্তমানে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের জুনে পার্কটি আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং পরে জেলা প্রশাসন ও দুদক যৌথভাবে এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। কৃষিজমির দেখভাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং জলাশয় ও পুকুর দেখভালের দায়িত্ব মৎস্য অধিদপ্তরের কাছে দেওয়া হয়।

এরপর দরপত্রের মাধ্যমে ইজারায় পার্কটি পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৫ সালে প্রথমবার এক বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয়, যেখানে পার্ক ও পুকুর মিলিয়ে নির্দিষ্ট অর্থমূল্য নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে ইজারার মূল্য কিছুটা বৃদ্ধি করে পুনরায় পার্কটি ইজারা দেওয়া হয়, তবে এবার পুকুর অংশ ইজারা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, পার্কটিতে বর্তমানে সীমিত সংখ্যক কর্মী কাজ করছেন এবং মাসিক ব্যয়ও উল্লেখযোগ্য। যদিও শীত মৌসুমে দর্শনার্থী কিছুটা বাড়ার আশা থাকে তবে সামগ্রিকভাবে আগের তুলনায় আয় ও দর্শনার্থী সংখ্যা কমে গেছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ ও অভিযোগের প্রভাব এখনো এলাকায় রয়ে গেছে। অনেকে তাদের জমিতে প্রবেশের সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন।

বর্তমানে পার্কটি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও এর কার্যক্রম সীমিত আকারে চলছে এবং ভবিষ্যতে ইজারা ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালনা অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *