পিকেএসএফ এর লক্ষ্যভূক্ত পরিবারগুলোর স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে আয় ও সম্পদ ক্ষয়রোধ, মানব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তাদের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। আর্থিক এবং অ-আর্থিক সেবার সমন্বয়, আন্ত:প্রজন্ম অপুষ্টির চক্র প্রতিরোধ, দক্ষ জনবল তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আধুনিক বিহেভিয়ার চেঞ্জ টেকনিক প্র্রয়োগ, অংশীদারিত্ব এবং প্রযুক্তিগত সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৪১টি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে এই সেবা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সংস্থার সংখ্যা বাড়ানো হবে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোরকিশোরী,গর্ভবতী ও প্রসূতি নারী, প্রজননক্ষম বয়সী নারী প্রবীন ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা এই সেবাকর্যক্রমের লক্ষ্যভূক্ত জনগোষ্ঠী। পিকেএসএফ এর এই কার্যক্রমের আওতায় সোসাইটি ফর ডেভেলপমেন্ট ইনিসিয়েটিভস্ (এসডিআই) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের প্রায় ২ শতাধিক কর্ম এলাকার অনগ্রসর এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে এই প্রতিরোধ মূলক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করবে। গত বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর পিকেএসএফ ভবনের মিলনায়তনে পিকেএসএফ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফজলুল কাদের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এসডিআই বাংলাদেশ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ১ জুলাই থেকে ১৪ জন স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়োগ নিশ্চিত করেন।
এসডিআই এর নির্বাহী পরিচালক সামছুল হক জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি প্রতিটি নাগরিকে মৌলিক অধিকার। দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে আমাদের কর্ম এলাকায় সমাজের সর্বস্তরের নাগরিক বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে পিকেএসএফ এর প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য কার্যক্রম এর আওতায় আমরা এ কার্যক্রম গ্রহণ করেছি। এ লক্ষ্যে ১ জুলাই থেকে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪ স্বাস্থ্যকর্মীকের নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পৌছে দিতে বাকী স্বাস্থ্যকর্মীদের পর্যায়ক্রমে নিয়োগ দেয়া হবে।