টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর অংশ ধসে পড়েছে। এতে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় সেতুটি ধসে যায়। ঘটনার পর সড়কের দুই প্রান্তে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা বিকল্প পথের অভাবে ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাত থেকে ওই এলাকায় পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোত সৃষ্টি হয়। এ সময় একটি রাবার ড্যামের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে পানির চাপ আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে তীব্র স্রোতের আঘাতে সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে।
যদিও সেতুটি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মধ্যে অবস্থিত, এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন।
বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বালাঘাটা ও স্বর্ণমন্দির এলাকায় সড়ক ও সেতু এখনো পানির নিচে থাকায় তাদের প্রকৌশল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পানি কমে গেলে দ্রুত বেইলি সেতু স্থাপনের মাধ্যমে যান চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শনিবারও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও হালকা, কোথাও আবার ভারী বর্ষণের সঙ্গে দমকা হাওয়া বইছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এমন আবহাওয়া আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে।
রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ি ঢলে সেতু ধস, রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল বন্ধ
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রাঙ্গামাটি-বান্দরবান সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর অংশ ধসে পড়েছে। এতে রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার (১০ জুলাই) দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া এলাকায় সেতুটি ধসে যায়। ঘটনার পর সড়কের দুই প্রান্তে অসংখ্য যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়।
বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারীরা বিকল্প পথের অভাবে ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাত থেকে ওই এলাকায় পাহাড়ি ঢলের প্রবল স্রোত সৃষ্টি হয়। এ সময় একটি রাবার ড্যামের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হলে পানির চাপ আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে তীব্র স্রোতের আঘাতে সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে।
যদিও সেতুটি রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মধ্যে অবস্থিত, এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন।
বান্দরবান সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বালাঘাটা ও স্বর্ণমন্দির এলাকায় সড়ক ও সেতু এখনো পানির নিচে থাকায় তাদের প্রকৌশল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। পানি কমে গেলে দ্রুত বেইলি সেতু স্থাপনের মাধ্যমে যান চলাচল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে সড়ক যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে এখনই নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শনিবারও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কোথাও হালকা, কোথাও আবার ভারী বর্ষণের সঙ্গে দমকা হাওয়া বইছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এমন আবহাওয়া আরও কয়েকদিন স্থায়ী হতে পারে।