স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশকে অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয় বরং নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শনিবার (১১ জুলাই) সাভারের আমিনবাজার এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশে চলমান বর্জ্য অপসারণ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং বৃক্ষরোপণ উদ্যোগ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরিদর্শনকালে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্যের স্তূপ ও অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার কারণে নোংরা পরিবেশে পরিণত হয়েছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তার নির্দেশনায় জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে প্রায় ১ দশমিক ২ কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ উন্নয়ন এবং সড়কের পাশে নিমগাছের চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে প্রায় দুই দশক পর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ওই অংশ দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ফিরে পাবে।
মীর শাহে আলম আরও বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের ভোগান্তি না থাকে।
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেখানে-সেখানে বর্জ্য না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। তিনি জানান, আমিনবাজার ভাঙা ব্রিজ এলাকার প্রায় ১ দশমিক ২ কিলোমিটারজুড়ে বর্জ্য অপসারণের পর ১৫ ফুট প্রশস্ত অংশে বালু ভরাট, নেটিং ও ব্যারিকেড স্থাপন করে সেখানে নিমগাছের চারা রোপণ করা হবে।
পরিদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আব্দুর রাফিউল আলম, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক, সহকারী কমিশনার (নেজারত শাখা) মো. আদনান জুলফিকার, সাভার উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. মিনারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।