বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

ডায়াবেটিস একেবারে দোরগোড়ায় : করণীয় সম্পর্কে জানুন

কথাভিশন স্বাস্থ্য ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

প্রি-ডায়াবেটিক অবস্থায় পৌঁছানো মানে ডায়াবটিসের একধাপ আগে আসা আর এই সময় থেকেই খাবারদাবারে সঠিক পরিবর্তন আনতে না পারলে মিষ্টির মাত্রা বাড়তেই থাকে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ-এর গবেষণায় প্রমাণিত যে, প্রি-ডায়াবেটিক অবস্থায় জীবনধারায় কিছু প্রয়োজনীয় বদল আনলে সুগারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এই বদলগুলো শুধু খাবারেই সীমাবদ্ধ নয় শরীরচর্চাও জরুরি। তবে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হলো কী ধরনের খাবার প্রি-ডায়াবেটিক পর্বে একেবারে পরিহার করা উচিত তা জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কার্বোনেটেড পানীয়

সব রকমের নরম পানীয়, সোডা বা প্যাকেটজাত ফলের রস প্রি-ডায়াবেটিক অবস্থায় খাওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ। এই পানীয়গুলোতে প্রচুর পরিমাণে চিনি, কৃত্রিম রং এবং রাসায়নিক উপাদান থাকে যা সুগার লেভেল বাড়িয়ে দেয়।

শুধু তা-ই নয় এগুলো লিভার এবং কিডনির ক্ষতিও করতে পারে। এর ফলে ইনসুলিনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে যেতে পারে যা ডায়াবটিসের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

ভাজাভুজি ও ট্রান্স ফ্যাট

যেকোনো ধরনের ভাজা খাবার বা দোকান থেকে কেনা বার্গার ও পিৎজা খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। এই ধরনের খাবারে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম, নাইট্রেট এবং ট্রান্স ফ্যাট থাকে যা শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করতে সাহায্য করে। এর ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে এবং স্থূলতার সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

প্রক্রিয়াজাত মাংস ও ফ্রোজেন ফুড

সসেজ, বেকন, সালামি, এবং ফ্রোজেন ফুড যেমন চিকেন নাগেট-ও প্রি-ডায়াবেটিক পর্বে খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এই ধরনের খাবারে রাসায়নিক উপাদান মেশানো থাকে যা শরীরের হজম প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে এবং টক্সিন বাড়াতে সাহায্য করে।

খুব পরিচিত একটি খাবার কর্নফ্লেক্স। অনেকেই সকালে তাড়াহুড়োয় কর্নফ্লেক্স খান। কিন্তু প্যাকেটজাত কর্নফ্লেক্স এবং অন্যান্য ব্রেকফাস্ট সিরিয়ালগুলিতে চিনি যোগ করা থাকে যা খুবই ক্ষতিকারক। এতে শরীরে অতিরিক্ত মেদ বাড়ার ঝুঁকি থাকে আর এটা ডায়াবিটিসের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়।

প্রি-ডায়াবেটিক পর্বে সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন : সবজি, ফল, প্রোটিন এবং হার্বস খাওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। এর পাশাপাশি শরীরচর্চা এবং নিয়মিত মেডিকেল চেক-আপও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি প্রি-ডায়াবেটিক অবস্থায় থাকেন তবে খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শারীরিক সক্রিয়তা বৃদ্ধি এবং সঠিক চিকিৎসা মেনে চলাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *