মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

ভয় নয়, সচেতনতাই হাম প্রতিরোধের সহজ উপায়- ডাক্তার মো. খলিলুর রহমান

স্বাস্থ্য প্রতিবেদন
ছবি: সংগৃহীত

হাম বা Measles একটি ভাইরাস জনিত খুবই ছোয়াচে(contagius) রোগ।ইহা সাধারণত শিশুদের বেশি আক্রান্ত করে। ইহা ছাড়া যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম যেমন ক‍্যান্সার রোগী, অতি বয়স্ক বা পুষ্টি হীন শিশুদের মধ্যে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

কি ভাবে ছড়ায় ?
সাধারণত হাম আক্রান্ত রোগীর হাচি,কাশি বা সরাসরি শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ‍্যমে(droplets infection )ছড়িয়ে থাকে।

কাদের জন্য বেশি সতর্কতা?
ছোট শিশু,পুষ্টিহীন শিশু, গর্ভবতী মা ও ক‍্যান্সার আক্রান্ত রোগী।

হামের ল‍ক্ষণ সমূহ:
ভাইরাস শরীরে প্রবেশের ১০-১২ দিন পরে লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পায়
** জ্বর ও মাথা ব‍্যথা – জ্বর ১০১° থেকে ১০৫° ডিগ্রি পযর্ন্ত হতে পারে।
** হাচি -কাশি ও সর্দি( coryza)
**চোখ দিয়ে পানি পড়া ও চোখ লাল হয়ে যাওয়া (conjunctivitis)
**২-৩ দিন পর মুখের ভিতর সাদা দাগ(copliks spots )
৩-৫ দিন পর হামের লালচে র‍‍্যাশ যা প্রথমে কপাল, মুখ, ঘাড় এবং পর্যায়ক্রমে সারা শরীরে দেখা দেয়।
কোন কোন রোগীর শ্বাস কষ্ট ও ডায়রিয়া হতে পারে।

জটিলতা সমূহ
হাম মারাত্মক জটিল হতে পারে এমনকি মৃত্যু ও হতে পারে। হাম প্রায়শ Epidemic আকারে দেখা দেয় যা বতর্মান চলমান। তাই হাম জটিল হওয়ার আগেই চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য কর্মীকে অবহিত করতে হবে।

জটিলতা
**নিউমোনিয়া বা তীব্র শ্বাস কষ্ট
** কান পাকা ও কানে প্রদাহ
** মারাত্মক ডায়রিয়া
** চোখে কম দেখা ও অন্ধত্ব
**মস্তিষ্কে প্রদাহ বা Enchepalitis.
**গর্ভজণিত জটিলতা ও জন্মগত ত্রুটি।

 চিকিৎসা
যেহেতু রোগটি ভাইরাস জনিত তাই প্রধান চিকিৎসা হলো Supportive অর্থাৎ প্রথমেই বাচ্চা বা রোগীকে আলাদা করা ( isolation)
**চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া
**জ্বর কমাতে sponging প‍্যারাসেটামল ঔষধ ব‍্যবহার করা।
**বেশি বেশি তরল খাবার খাওয়ানো
**জটিলতা প্রতিরোধ এ ব‍্যবস্থা নেয়া।

 প্রতিরোধ ব‍্যবস্থা

**হামের টীকা খুবই কার্যকর ও সরকারি ভাবে দেয়া হয়।
ইপিআই সিডিউল অনুযায়ী বাচ্চার বয়স ৯ মাসে প্রথম ডোজ ১৫ মাসে দ্বিতীয় ডোজ MR টীকা দেয়া হয়
*টীকা খুব কার্যকর

টীকা প্রায় ৯৭-৯৯% প্রতিরোধ দেয়

*টীকাকৃত শিশুর হাম হলেও জটিলতা কম হবে
* অন্ধত্ব প্রতিরোধে ভিটামিন এ খাওয়ানো
* শিশুর পুষ্টি বিষয়ে যত্নবান হওয়া।
* সামাজিক সচেতনতা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা
* সরকারি তদারকি ও
* কার্যক্রম বৃদ্ধি করা
* ভ‍্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করা।

লেখক: সাবেক সিভিল সার্জন, শরীয়তপুর

সাবেক পরিচালক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *