শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মোরেলগঞ্জে ১০ লাখ নকল সিগারেটসহ চোরাই মালামাল ও যন্ত্রাংশ উদ্ধার ধামরাইয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রতিটি নাগরিকের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই’ : মির্জা ফখরুল সব নাগরিককে বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী মোড়েলগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত পাতলী খালের পুন:খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এবার বিদায় রাজ্যসভা থেকে কোয়েল মল্লিকের ফাহিমার জন্য ন্যায়বিচার চাই: রোটারিয়ান ড. মীর শাহ আলম সাইবার সুরক্ষা আইনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ, ভুয়া কনটেন্ট অপসারণে আসছে নতুন বিধান বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৯ হাজার ২০১ প্রার্থী প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র সালমান শাহর মাকে হুমকির অভিযোগ: কী বললেন অভিনেতা শিবা শানু? বাজেটে সুশাসনের রূপরেখা না থাকায় হতাশ টিআইবি আদ-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নয় অসন্তুষ্ট সরকার চলতি মাসেই ইনু-হানিফের মামলার রায়ের প্রত্যাশা চিফ প্রসিকিউটরের ভয়াবহ গণগুলিবর্ষণে জোহানেসবার্গে নিহত ১২, আহত ৯ ৫৩ কোটি টাকার বিনামূল্যে চারা ও সার বিতরণ করবে সরকার চা বিক্রেতার দাবি ঘিরে তোলপাড়, হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়ে নতুন বিতর্ক স্বাস্থ্য খাতে বড় বাজেট, ২৫ লাখ মানুষের জন্য ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ তিন মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত
Notice :

মোরেলগঞ্জে ১০ বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থী-অভিভাবক

শেফালী আক্তার রাখি, মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ৬নং চিংড়াখালী ইউনিয়নের ৪৬নং গাজী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘ এক দশক ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। ভবন ধসে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির ভবন ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে নির্মিত হয়। বর্তমানে ওই ভবনের দেয়াল, ছাদ ও বারান্দার পিলার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং পিলারের রড বেরিয়ে এসেছে, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করছে।

বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭১ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক পদ পাঁচটি থাকলেও কর্মরত আছেন চারজন। ২০২০ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জাকারিয়া হাওলাদার।

দুপুরে ক্লাস চলাকালে দেখা যায়, জরাজীর্ণ শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে পাঠ নিচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীই জানায়, তারা সবসময় ভয়ে থাকে—কখন না ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে।

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আমেনা আক্তার, নাদিয়া আক্তার ও রুম্মান শিকদারসহ অন্যরা জানায়, “আমরা ভয়ে ভয়ে ক্লাস করি। কখন মাথার ওপর কিছু পড়ে যায় এই আতঙ্কে থাকি। আমাদের একটি নতুন ভবন দরকার।”

অভিভাবক মোকলেছুর রহমান, নাজিম উদ্দিন ও সাবেক ইউপি সদস্য শাহিন শিকদার বলেন, “বিদ্যালয়টি দীর্ঘদিনের পুরনো হলেও শিক্ষার মান ভালো। কিন্তু ভবনের ঝুঁকির কারণে অনেকেই সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন।”

স্থানীয়রা দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ করে নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *