ঢাকার ধামরাইয়ে ডেমরান এলাকার মারকাজ ওমরবিন খাত্তাব মাদ্রাসার শিক্ষক-ছাত্রের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মহল যুবদলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে জানান ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ও ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াছিন ফেরদৌস,মোরাদ এবং ঢাকা-২০ এর সংসদ সদস্য বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন।
শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় সাংবাদিক ও নেতাকর্মীদের নিয়ে এই দুই নেতা ঐ প্রতিষ্ঠান ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গত নভেম্বরে ঘটে যাওয়া বিষয়টি যাচাই বাছাই করতে যান। যাচাই বাছাই শেষে তারা জানান, এ ঘটনায় যুবদলের কোন নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার প্রমান পাওয়া যায়নি। এটা নিছক একটা ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার।
যুবদল নেতা ইয়াছিন ফেরদৌস মোরাদ ঐ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, ধামরাই থানা পুলিশ, স্থানীয় এমপি, নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীদের নিয়ে ঘটনার যাচাই বাছাই করে কোন প্রমান না পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ও ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াছিন ফেরদৌস মোরাদ এবং স্থানীয় এমপি আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, দেশ বিরোধী একটি স্বার্থান্বেষী ও চক্রান্তকারী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য যুবদলের নেতাকর্মীদের জড়িয়ে এসব মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য গত নভেম্বর মাসে অন্তরবর্তী কালীন সরকারের আমলে ঐ মাদ্রাসার এক শিক্ষক এক শিক্ষার্থীকে মারধর করলে ঐ শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন বাড়ি থেকে এসে প্রতিষ্ঠানে ঢুকে ঐ শিক্ষককে মারধর করে। এঘটনায় থানায় জিডিও হয়েছে। ঘটনাটি নিতান্তই ঐ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এটি কোন রাজনৈতিক ইস্যু নয় বা কোন যুবদল নেতা এর সাথে জড়িত নয় বলে জানা যায়।
জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াছিন ফেরদৌস মোরাদ ও সংসদ সদস্য তমিজ উদ্দিন ঐ বিশেষ মহলের এই অপপ্রচারকে ভুয়া ও বানোয়াট বলে আখ্যায়িত করে চরম ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করেন। নেতৃবর্গ এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।