সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরে ইলিশ ধরতে গিয়ে মোড়েলগঞ্জের জেলের মৃত্যু কুড়িগ্রামে অরণ্যের উৎসব ধামরাইয়ে ডাকাতের ঘটনায় গ্রেফতার ৬: অস্ত্রসহ সরঞ্জাম উদ্ধার মোরেলগঞ্জে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ ধামরাইয়ে রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগে মারধরের সাত দিন পর যুবকের মৃত্যু শেরপুরে নিখোঁজের আটদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, আটক ১৯ জন ধামরাইয়ে পরের জায়গায় ভাঙ্গা ঘরে বিধবা বৃদ্ধা আলো রানীর বসবাস, দু:শ্চিন্তায় দিন পাড় রাতের বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়াচ্ছে ব্যাটারি রিকশা-ই-বাইক: জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ ছাড়লেন মির্জা ফখরুল ব্যস্ততার অজুহাতে আগে ফরজ নামাজ? ইসলামে কী বিধান চরহরিরামপুরে ব্রিজ নির্মাণে সুফল নেই, দ্রুত রাস্তা চান স্থানীয়রা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ, প্রার্থী ফখরুল ও অলি প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী ভালো চিত্রনাট্যের অপেক্ষায় আছি : জাহিদ হাসান তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী, ফিলিং স্টেশনে ভোগান্তি চরম ধামরাইয়ে বিএনপি’র আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান মোদি : দীনেশ ত্রিবেদী জামালপুরে ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের প্রতি তাগিদ, তারেকের ভারত সফরে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি
Notice :

আদালতে রামিসা হত্যা মামলায় বাবা-মায়ের লোমহর্ষক বর্ণনা

Reporter Name
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়ে আবেগে ভেঙে পড়েন তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ও মা পারভীন আক্তার। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তারা ঘটনার ভয়াবহ বর্ণনা তুলে ধরেন, যা আদালতকক্ষের পরিবেশকে ভারী করে তোলে।

সাক্ষ্য দিতে গিয়ে অসুস্থবোধ করায় আদালতের অনুমতি নিয়ে চেয়ারে বসে বক্তব্য দেন রামিসার বাবা। অন্যদিকে মা পারভীন আক্তার জবানবন্দি দেওয়ার সময় অঝোরে কাঁদতে থাকেন।

তিনি আদালতে জানান, ঘটনার দিন সকালে রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। সে সময় বড় মেয়ে রাইসাকে ছোট মেয়ে রামিসাকে নিয়ে পাশের চাচার বাসায় যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পর দুই শিশুর শব্দ না পেয়ে তিনি ধরে নেন তারা বের হয়ে গেছে। পরে বড় মেয়ে ফিরে এলে রামিসাকে না পেয়ে ভবনের বিভিন্ন তলায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার জুতা দেখতে পান তিনি।

এরপর বারবার দরজায় ধাক্কা দিলেও কেউ দরজা না খোলায় তার সন্দেহ হয়। আশপাশের লোকজন জড়ো হলে তিনি স্বামীকে ফোন করেন। পরে ভিডিও ফুটেজে ভেতরে এক নারীকে হাঁটাহাঁটি করতে দেখা যায় বলেও আদালতকে জানান তিনি।

পারভীন আক্তার আরও বলেন, দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের পর বাথরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়ের মরদেহ দেখতে পান তিনি। ওই সময় তিনি অভিযুক্ত স্বপ্না খাতুনকে বাসার ভেতরে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন বলেও দাবি করেন।

কাঠগড়ায় থাকা আসামিদের দেখিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, সোহেল রানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন সহযোগিতা করেছেন।

এদিকে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা আদালতে বলেন, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি অফিসের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। পরে স্ত্রী ফোন করে তাকে বাসায় ফিরতে বলেন। দ্রুত ফিরে এসে তিনি ভবনের সামনে ভিড় দেখতে পান।

তিনি আরও জানান, পরে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে টয়লেটের পাশে রক্ত দেখতে পান এবং স্টিলের খাট উঁচু করার পর মেয়ের মরদেহ দেখতে পান, যা দেখে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

জেরার সময় তিনি জানান, আসামিদের সঙ্গে তার কোনো পূর্বশত্রুতা ছিল না। সাক্ষ্য শেষে তিনি পুলিশি নিরাপত্তায় বিমর্ষ অবস্থায় আদালত ত্যাগ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *