শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ধামরাইয়ে এক রাতে ৬ বাড়ীতে চুরি, জনমনে আতস্ক জাতিসংঘে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সক্রিয় ভূমিকা চাইল বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে সবার আগে শেষ ৩২-এ মেক্সিকো মেসির বাবার মৃত্যুর মিথ্যা খবর: লুজু টিভি ছাড়লেন উপস্থাপিকা তারুণ্যের শক্তিতে নতুন আদলে গড়ে উঠবে সোমভাগ ইউনিয়ন: সমাজসেবক, ব্যবসায়ী ও তরুণ রাজনীতিক মো: মনিরুজ্জামান মনিরের রূপকল্প জলাবদ্ধতা নিরসনে হিজরা খাল সংস্কার কাজ এগোচ্ছে দ্রুতগতিতে : সিডিএ চেয়ারম্যান হিলিতে হাঁস খামারের সাফল্যগাথা : ১০০ থেকে ১০ হাজার হাঁসের যাত্রা বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ টেকনাফ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিতে বড় ধস, কমেছে প্রায় ৯০ শতাংশ বগুড়ার উন্নয়ন শুরু করায় নানামুখী ষড়যন্ত্র হচ্ছে : প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রক্তদানের পর যেসব খাবার এড়িয়ে চলা উচিত ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ নয়, কোচিং না করার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর খেলাপি ঋণের পাহাড়ে ভাঙছে ব্যাংক খাত ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে তদন্ত কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন ধামরাইয়ে আলাদীনস্ হাসপাতালে ডায়াবেটিক সেন্টার উদ্বোধন কালিয়াকৈরে গার্মেন্টসে গণঅসুস্থতা, হাসপাতালে ২০০-এর বেশি শ্রমিক শ্রীবরদীতে তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন জনগণ পাঁচ বছরের দায়িত্ব দিয়েছে, কাজের সুযোগ চাই : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চেও বাংলাদেশের সুনাম বাড়াচ্ছে সেনাবাহিনী : সেনাপ্রধান
Notice :

টেকনাফ স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিতে বড় ধস, কমেছে প্রায় ৯০ শতাংশ

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালু হলেও এখনো তা স্বাভাবিক গতি ফিরে পায়নি। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সীমিত আকারে বাণিজ্য শুরু হলেও বর্তমানে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আগের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ কমে গেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে চলমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তাজনিত জটিলতার কারণে বাণিজ্য কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি সচল হয়নি। ফলে বন্দরের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয়ও প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়ছে না।

বর্তমানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন থেকে সরাসরি পণ্য আমদানি বন্ধ থাকলেও রাখাইন অঞ্চল থেকে অল্প পরিমাণে কাঠ আমদানি করা হচ্ছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে কোল্ড ড্রিংকস, বিস্কুটসহ কিছু ভোগ্যপণ্য রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, আগে বড় ট্রলার ও নিয়মিত চালানে বাণিজ্য চললেও এখন ছোট নৌযানের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চলছে।

নাফ নদী এলাকায় আরাকান আর্মির প্রভাব ও অনিশ্চয়তা পুরোপুরি কাটেনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে অনেক আমদানিকারক এখনো পূর্ণমাত্রায় ব্যবসায় ফিরে আসেননি।

টেকনাফ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এহেতাশামুল হক বাহাদুর জানান, দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর বাণিজ্য চালু হলেও এখনো তা স্বাভাবিক হয়নি। তার মতে, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তার কারণে অনেক ব্যবসায়ী কার্যক্রম সীমিত রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, ব্যবসায়ীদের বিপুল অর্থ এখনো মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে আটকে আছে, যা বাণিজ্য পুনরুদ্ধারে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, গত দুই মাস ধরে সীমিত আকারে আমদানি-রপ্তানি শুরু হলেও আগের তুলনায় মাত্র ১০ শতাংশ কার্যক্রম চলছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে বাণিজ্য আবারও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, বর্তমানে ছোট ট্রলারের মাধ্যমে কাঠসহ কিছু পণ্য আনা-নেওয়া হচ্ছে, যেখানে আগে বড় ট্রলারে বড় পরিসরে বাণিজ্য হতো।

টেকনাফ কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রপ্তানি আয় তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও আমদানি খুবই সীমিত। ২০২৬ সালের মে মাসে রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার, আর জুনের প্রথমার্ধে তা প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। অন্যদিকে একই সময়ে আমদানি থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছে তুলনামূলক কম।

কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ মনে করছে, সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে টেকনাফ স্থলবন্দরের বাণিজ্য আবারও গতি পেতে পারে। তবে আপাতত অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকিই প্রধান বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *