দিন দিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে রিচার্জেবল মিনি ফ্যানের। ব্যাগে রেখে যেকোনো সময় বের করে ব্যবহার করা যায় বলেই এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।
একজন ফ্যান ব্যবসায়ী জানান “গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিনি ফ্যানের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে নেক ফ্যান ও হ্যান্ড ফ্যান সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। একবার চার্জ করে চার থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত চলে। অনেকে অফিসে, স্কুলে বা ভ্রমণে নিয়ে যাচ্ছেন।”
মিনি ফ্যানের ধরন ও সুবিধা
বর্তমানে বিভিন্ন ধরণের মিনি ফ্যান দেখা যাচ্ছে-
হ্যান্ডহেল্ড বা পোর্টেবল ফ্যান: হাতে ধরে ব্যবহার করা যায়। খুব ছোট ও হালকা। ব্যাগ বা পকেটে সহজে রাখা যায়।
নেক ফ্যান: ঘাড়ে ঝুলিয়ে ব্যবহার করা যায়। হাতে ধরে থাকা লাগে না। হাঁটাচলা, ব্যায়াম বা গাড়ি চালানোর সময় এটি সবচেয়ে আরামদায়ক। ঘামের দুর্গন্ধ কমাতে কিছু মডেলে সুগন্ধি স্প্রে করার সুবিধাও আছে।
মিস্ট ফ্যান: বাতাসের সঙ্গে পানির কণা ছড়ায়। দ্রুত ঠাণ্ডা অনুভূতি দেয়। গরমে এটি বিশেষভাবে কার্যকর।
ব্লেডলেস ফ্যান: নিরাপদ, বিশেষ করে শিশুদের জন্য। আধুনিক ডিজাইন।
মাল্টিফাংশনাল ফ্যান: ফ্যানের সঙ্গে পাওয়ার ব্যাংক বা লাইটের সুবিধা থাকে।
বিভিন্ন অন লাইন প্ল্যাটফর্ম যেমন- মিনিসো, রকমারি, দারাজ বা ফেইসবুক পেজে সহজেই পাওয়া যায়। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলেক্ট্রনিক মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছে এসব ফ্যান। সাধারণ চার্জার ফ্যান ২০০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। একটু ভালো মানের হ্যান্ড বা নেক ফ্যান ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা।
সুগন্ধি বা মিস্ট স্প্রে সুবিধাযুক্ত মডেল ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়।
ব্যবহারকারী কারা
শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাওয়ার পথে, অফিসগামী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যাতায়াতের সময়, রান্নাঘরে ব্যস্ত গৃহিণীরা এবং ব্যায়ামপ্রেমীরা এই ফ্যান ব্যবহার করে আরাম পাচ্ছেন।
সুবিধা