২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ঘোষণার পর থেকেই অনেক অভিভাবকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে কেউ কেউ সন্তানদের ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কোচিং সেন্টারে পাঠানো শুরু করেছেন।
তবে এ নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা না করার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য যে পরীক্ষা নেওয়া হবে সেটি খুবই সাধারণ বা নামমাত্র একটি মূল্যায়ন হবে। এর জন্য আলাদা করে কোচিং করার কোনো প্রয়োজন নেই।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এহছানুল হক মিলন বলেন, ভর্তি প্রক্রিয়ায় ক্যাচমেন্ট এরিয়া এবং নামমাত্র পরীক্ষার সমন্বয় করা হবে। এর মাধ্যমে সব শিক্ষার্থীকে ভর্তির আওতায় আনার ব্যবস্থা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই এবং অভিভাবকদের সন্তানদের কোচিংয়ের চাপ দেওয়ারও প্রয়োজন নেই।
তিনি আরো বলেন, এইচএসসিতে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার সব ধরনের ব্যবস্থা করেছি। এখন দেখি কী হয়…। প্রত্যেকটা বোর্ডের একটা প্রতিযোগিতা থাকে, মূলত সেজন্য এমন সিদ্ধান্ত।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার সময় ঝড়, অতিবৃষ্টি, বন্যা অথবা যে কোনো দুর্যোগ হলে বিকল্প ব্যবস্থা রাখবো। প্রশ্নপত্র তো আগেই পৌঁছে যাবে। পরীক্ষার সময় সমস্যা হলে তার জন্য ব্যবস্থা আছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী প্রমুখ।