গাইবান্ধায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারে আবারও দামের চাপ দেখা দিয়েছে। মুরগি, মাছ ও সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে একাধিক পণ্যের দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) গাইবান্ধার পুরাতন বাজার ও হকার্স মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, মুরগির দামে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমানে সোনালি মুরগি: ৩৫০–৩৬০ টাকা (আগে ২৮০–৩১০ টাকা), ব্রয়লার মুরগি: ১৭০–১৮০ টাকা, দেশি মুরগি: ৭০০–৭২০ টাকা, লেয়ার মুরগি: প্রায় ১৭০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা জানান, খামারে উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। ভবিষ্যতে দাম আরও বাড়তে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
মুরগির পাশাপাশি মাছের বাজারেও দেখা গেছে দামের চাপ। বিভিন্ন ধরনের মাছ কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পাঙ্গাশ মাছ: ১৮০ থেকে বেড়ে ২১০ টাকা, রুই মাছ: ৩৪০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত। গরু ও খাসির মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। গরুর মাংস: ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস: ১১০০–১২০০ টাকা।
তবে সবজির বাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। বেশিরভাগ সবজির দাম ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পটল ও করলা: ৫০–৬০ টাকা, ঢেঁড়স: ৪০–৫০ টাকা, বেগুন: ৬০–৮০ টাকা।
ক্রেতারা বলছেন, মুরগি, মাছ ও সবজির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেকেই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিকে বাজার অস্থিরতার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করছেন।
ব্যবসায়ীদের মতে, সরবরাহ ঘাটতি ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবই মূলত এই দামের ঊর্ধ্বগতির পেছনে কাজ করছে।