শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষিকাকে জুতা দিয়ে মারধরের অভিযোগ, বিএনপি নেতা দল থেকে বহিষ্কার এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল করল সরকার জাতীয় সংকটে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উত্তপ্ত কাঁচাবাজার নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদ নয় : ভূমিহীনদের খাসজমি দেওয়ার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর হরমুজে কৌশলগত ছাড় : মিত্র দেশগুলোর জন্য ফি বাতিল ইরানের রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর বিচার প্রক্রিয়া কচ্ছপগতিতে, হতাশ শ্রমিক পরিবার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা মোরেলগঞ্জে ১৬ বছর ধরে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পুলিশ ফাঁড়ি, টিনের বেড়া দিয়ে চলে প্রাথমিকের পাঠদান নিঃসঙ্গতার ভারে নত – আনজুমান আরা শিল্পী ছবির মৃত্যু নেই, বেঁচে থাকে অনন্তকাল, ছবি মানে শুধু আনন্দ নয়, ছবির মানে হতে পারে বিড়ম্বনা – মিজানুর রহমান ধামরাইয়ে প্রতিদিন সান্ধ্যকালীন সবজির মেলা ইরানের শক্তির বার্তা তেহরানসহ একাধিক শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন ধ্বংসের মুখে মঠবাড়িয়া শেরে বাংলা সাধারণ পাঠাগার ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে পরিপত্র জারি রাজশাহীতে নিরাপত্তার আশ্বাসে মেডিকেলে কাজে ফিরলেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মাছের শরীরে বিষাক্ত ধাতু : উপকূলীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় সংরক্ষিত নারী আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা নতুন অর্থবছরে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ
Notice :

ঘুমের সময় অতিরিক্ত ঘাম কেন হয়? জানুন ৪টি প্রধান কারণ

Reporter Name
ছবি: সংগৃহীত

অনেকেই রাতে ঘুমের সময় হঠাৎ ঘামে ভিজে যাওয়ার অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। অনেক ক্ষেত্রে বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত এমনটি হলে তা শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, রাতের ঘাম নিজে কোনো আলাদা রোগ নয়। বরং শরীরে অন্য কোনো শারীরিক বা মানসিক সমস্যার লক্ষণ হিসেবে এটি দেখা দেয়। হরমোনের পরিবর্তন, সংক্রমণ, মানসিক চাপ কিংবা রক্তে শর্করার ওঠানামা এসব কারণে ঘুমের সময় অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে হরমোনজনিত পরিবর্তনের কারণে রাতে ঘাম হওয়ার সমস্যা বেশি দেখা যায়। পেরিমেনোপজ বা মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে গেলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা দেয়। ফলে ঘুমের সময় শরীর হঠাৎ গরম হয়ে গিয়ে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।

এ ছাড়া থাইরয়েড গ্রন্থির অতিরিক্ত সক্রিয়তা বা হাইপারথাইরয়েডিজম থাকলেও শরীরের বিপাকক্রিয়া বেড়ে যায়। যার ফলে রাতের ঘাম বাড়তে পারে।

কিছু সংক্রমণের ক্ষেত্রেও রাতের ঘাম একটি সাধারণ লক্ষণ। বিশেষ করে যক্ষ্মা, ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়ে।

যদি রাতের ঘামের সঙ্গে জ্বর, দুর্বলতা, বা অকারণে ওজন কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দীর্ঘদিনের উদ্বেগও রাতে ঘাম হওয়ার একটি কারণ হতে পারে। ঘুমের সময়ও আমাদের স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় থাকে। দুশ্চিন্তা বাড়লে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা শরীরের সিম্প্যাথেটিক সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে।

এর ফলে হৃদস্পন্দন বেড়ে যেতে পারে এবং শরীরে ঘাম তৈরি হয়। যারা অনিদ্রা, দুঃস্বপ্ন বা উদ্বেগজনিত সমস্যায় ভোগেন, তাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

রাতে ঘাম হওয়ার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়া, যাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা হয়। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীরা যারা ইনসুলিন বা নির্দিষ্ট ওষুধ গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

রাতের ঘামের সঙ্গে সকালে মাথাব্যথা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা অস্বস্তি থাকলে রক্তে শর্করার ভারসাম্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি মাঝেমধ্যে এমন হয় তবে তা নিয়ে খুব বেশি চিন্তার কারণ নেই। তবে নিয়মিত রাতের ঘাম হলে অবশ্যই কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।

কিছু সাধারণ করণীয় : ঘুমানোর ঘর ঠান্ডা ও বাতাস চলাচলযোগ্য রাখা, ভারী খাবার বা ক্যাফেইন ঘুমের আগে এড়িয়ে চলা, নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস তৈরি করা
মানসিক চাপ কমাতে মেডিটেশন বা হালকা ব্যায়াম করা, সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাতের ঘাম চলতে থাকলে তা অবহেলা না করে চিকিৎসা পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *