শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিক্ষিকাকে জুতা দিয়ে মারধরের অভিযোগ, বিএনপি নেতা দল থেকে বহিষ্কার এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল করল সরকার জাতীয় সংকটে ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উত্তপ্ত কাঁচাবাজার নোটিশ ছাড়া উচ্ছেদ নয় : ভূমিহীনদের খাসজমি দেওয়ার আশ্বাস ভূমিমন্ত্রীর হরমুজে কৌশলগত ছাড় : মিত্র দেশগুলোর জন্য ফি বাতিল ইরানের রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর বিচার প্রক্রিয়া কচ্ছপগতিতে, হতাশ শ্রমিক পরিবার ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে গলা কেটে হত্যা মোরেলগঞ্জে ১৬ বছর ধরে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পুলিশ ফাঁড়ি, টিনের বেড়া দিয়ে চলে প্রাথমিকের পাঠদান নিঃসঙ্গতার ভারে নত – আনজুমান আরা শিল্পী ছবির মৃত্যু নেই, বেঁচে থাকে অনন্তকাল, ছবি মানে শুধু আনন্দ নয়, ছবির মানে হতে পারে বিড়ম্বনা – মিজানুর রহমান ধামরাইয়ে প্রতিদিন সান্ধ্যকালীন সবজির মেলা ইরানের শক্তির বার্তা তেহরানসহ একাধিক শহরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন ধ্বংসের মুখে মঠবাড়িয়া শেরে বাংলা সাধারণ পাঠাগার ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে পরিপত্র জারি রাজশাহীতে নিরাপত্তার আশ্বাসে মেডিকেলে কাজে ফিরলেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা মাছের শরীরে বিষাক্ত ধাতু : উপকূলীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উদ্বেগ দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় পূজা বন্দ্যোপাধ্যায় সংরক্ষিত নারী আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা নতুন অর্থবছরে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধির উদ্যোগ
Notice :

শ্রীপুরে বনের গেজেটভুক্ত জমির রাজস্ব আদায় বন্ধের নির্দেশনা প্রত্যাহারের দাবি

গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের শ্রীপুরে বনের গেজেটভুক্ত জমির সাথে একই দাগে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি থাকায় ওই জমি হস্তান্তর, নামজারী ও সরকারি রাজস্ব আদায় কার্যক্রম সাময়ীকভাবে বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশনা বাতিল বা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে শ্রীপুর পৌরসভার কওয়া বাজার গরুর হাট মাঠে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী জানানো হয়। ভুক্তভোগী জমির মালিক, নদী ও প্রকৃতি ফাউন্ডেশন, শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদ এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামের যৌথ আয়োজনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ভুক্তভোগী জমির মালিক এবং শ্রীপুর পৌর সচেতন নাগরিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৯২৭ সালের বন আইনের ২০ ধারা মতে বনের গেজেটভুক্ত জমির খাজনা পরিশোধ করে যাচ্ছে বন বিভাগ। খাজনা গ্রহণ করছে রাজস্ব বিভাগ।

কিন্তু বনের গেজেটভুক্ত জমির সাথে একই দাগে থাকা জমির মালিকেরা খাজনা পরিশোধ করতে পারছে না। অথচ, ওইসব জমির মালিকদের সিএস, এসএ, আরএস, রেকর্ড এবং ২০০৬ সালের ৩ মার্চ জারি করা নামজারী এবং খাজনা পরিশোধকৃত জমির সকল কাগজপত্র রয়েছে তাদের।

বন বিভাগ দেওয়ানী আদালতে রেকর্ড সংশোধনী ও বিভিন্ন মামলা দিয়ে জোতদারদের হয়রানি করছে। জমির মালিকেরা একাধিকবার পরিবেশ, বন ও ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে খাজনা পরিশোধের জন্য আবেদন করলেও এ হয়রানি থেকে মুক্তির জন্য কোনো সমাধান পাচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলন তিরি আরো বলেন, ২০১১ সালের ১৮ মে ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে বনের জমি বাছাই বা চিহ্নিত করে জটিলতা নিরসেনর নির্দেশনা রয়েছে বন বিভাগের কর্তৃপক্ষকে।

কিন্তু বন বিভাগ ও ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারিদের অসৎ উদ্দেশ্যের কারণে মন্ত্রণালয়ের ওই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। এত বন বিভাগ ও জমির মালিকেরা বিভিন্ন ধরেনর জটিলতাসহ হয়রানিও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

ভুক্তভোগী ও শ্রীপুর সাহিত্য পরিষদের সভাপতি রানা মাসুদ তার বক্তব্য বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীঅন জমিতে সরকারিভাবে সীমানা নির্ধারনের জন্য অবিদেন করা হয়। পরে বন বিভাগের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিতিনিধিকে সীমানা নির্ধারনের নোটিশ দিলেও তারা বিষয়টি সমাধানে সময় মতো আসেন না।

তিনি অভিযোগ করেন বন বিভাগের স্থানীয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তফসিলভুক্ত জমির বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে মামলা করে সীমানা নির্ধারণ স্থগিতের আদেশ চেয়ে আবেদন করেন। এতে সীমানা নির্ধারণ না করায় স্থানীয় জমির মালিকেরা রাজস্ব পরিশোধের জটিলতাসহ জমি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

অপর ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক এমদাদুল হক বলেন, বনের গেজেটভুক্ত থাকায় নিজেদের মালিকানাধীন জমিতে বাড়িঘর নির্মাণ ও গাছপালা রোপন, অবকাঠামো উন্নয়ন, কলকারখানা স্থাপন করতে পারছে না। বনের জমির সাথে মালিকদের গেজেট সমস্যার সমাধন না করায় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ ও জমির মালিকেরা। এত সরকারও কোটি কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জনকল্যাণ, ন্যায়বিচার ও সরকারি স্বার্থে গেজেট বাতিল বা প্রত্যাহার করে জমির মালিকদের ভোগ দখল, হস্তান্তর, নামজারী, রাজস্ব পরিশোধসহ যাবতীয় কার্যক্রম চালুর দাবি জানান। বনবিভাগের গেজেট সমস্যার সমাধান না হলে মানববন্ধসহ বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেন ভুক্তভোগীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *