বাংলাদেশ ক্রিকেটের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও সৌম্য সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত সাকিব এবং সাম্প্রতিক সিরিজে সুযোগ না পাওয়া সৌম্যকে ঘিরে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
সাকিব আল হাসান ২০২৪ সালের অক্টোবরের পর থেকে জাতীয় দলের বাইরে আছেন। একাধিক জটিলতা ও নিয়মিত ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকায় তাঁর প্রত্যাবর্তন অনিশ্চিত হয়ে আছে।
এ বিষয়ে বিসিবির প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন জানান, সাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে এবং তার প্রস্তুতি ও ফিটনেস পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে হলে পর্যাপ্ত অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর বিসিবি তাকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বিবেচনা করছে বিশেষ করে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে।
অন্যদিকে সৌম্য সরকার পাকিস্তান সিরিজে দলে থাকলেও একাদশে সুযোগ পাননি। তবে নির্বাচকরা জানিয়েছেন, তার সাম্প্রতিক অনুশীলন ও উন্নতি নজরে এসেছে। বিশেষ করে স্পিন মোকাবিলায় উন্নতি হয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
নির্বাচকদের মতে, সৌম্যকে আবারও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে, তবে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই হবে মূল শর্ত।
নির্বাচকরা আরও জানান, দল গঠনে এখন তাৎক্ষণিক পরিবর্তনের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণে খেলোয়াড়দের এক-দুই ম্যাচের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে দ্রুত বাদ দেওয়ার প্রবণতা কমাতে চায় বিসিবি।
এদিকে আরেক ক্রিকেটার নাসুম আহমেদকে ওয়ানডে দলে না রাখার বিষয়ে জানানো হয়েছে, কন্ডিশন ও ফরম্যাট বিবেচনায় টিম কম্বিনেশন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে বিসিবির অবস্থান স্পষ্ট অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের জন্য দরজা পুরোপুরি বন্ধ নয়, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে হলে ফিটনেস, প্রস্তুতি এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই হবে মূল মানদণ্ড।