সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজারের বেশি প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তাদের যোগদান কার্যক্রম শুরু হয়নি। এতে করে প্রার্থীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর প্রার্থীরা মেডিকেল পরীক্ষা, কাগজপত্র যাচাইসহ সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। কিন্তু দুই মাসেরও বেশি সময় পার হলেও নিয়োগপত্র বা যোগদানের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি।
সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা জানান, দীর্ঘ বিলম্বে তারা আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছেন। কেউ আগের চাকরি ছেড়ে এখন বেকার, আবার অনেকের বয়সসীমা শেষ হয়ে যাওয়ায় অন্য সরকারি চাকরির সুযোগও হারিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগদানের দাবিতে তারা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তাদের দাবি, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি অথচ এই বিলম্ব পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সরকার পরিবর্তন, পূর্ববর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু অভিযোগ এবং প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার কারণে বিষয়টি আটকে আছে। উচ্চপর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত না আসায় কর্মকর্তারাও উদ্যোগ নিতে পারছেন না।
উল্লেখ্য, ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রায় ৬৯ হাজার প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তীতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচন করা হয়।
প্রার্থীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সনদ, ডোপ টেস্ট রিপোর্ট, পুলিশ ভেরিফিকেশনসহ সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশনা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সম্পন্ন করা হয়। তবুও চূড়ান্ত নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তারা এখনো যোগদান করতে পারছেন না।
সব মিলিয়ে, প্রশাসনিক জটিলতা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে নিয়োগপ্রক্রিয়া স্থবির হয়ে আছে, আর দ্রুত সমাধানের অপেক্ষায় দিন গুনছেন হাজারো প্রার্থী।
গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘এ’ ইউনিট (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সংশ্লিষ্ট ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা গেছে, পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৩০ শতাংশ।
এতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা এখন অনলাইনের মাধ্যমে তাদের ফলাফল দেখতে পারছেন। পরবর্তী ধাপে মেধাতালিকা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় ও বিষয় পছন্দক্রম দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে।