জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে। এটি লালবাগ থানায় দায়েরকৃত গণঅভ্যুত্থান কেন্দ্রিক সহিংসতা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টা মামলার ঘটনায় করা হয়।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দুই দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন, যাতে মামলার পলাতক আসামিদের অবস্থান জানা, গ্রেপ্তার এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা যায়। তবে আদালত রিমান্ড এবং আসামির জামিন আবেদন দুটিই নামঞ্জুর করেছেন।
ডিবি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় লালবাগের আজিমপুর সরকারি কলোনিতে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা শান্তিপূর্ণ মিছিল করছিল। আন্দোলন দমনের উদ্দেশ্যে পুলিশ ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দেশীয় ও বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে গুলিবর্ষণ করেন। এতে আন্দোলনকারী মো. আশরাফুল ফাহিমের বাঁ চোখ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ডিবি আরও জানায়, মামলার তদন্তে শিরীন শারমিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কিছু তথ্য দেন, তবে কৌশলে প্রশ্ন এড়িয়ে যান। তদন্তকারী কর্মকর্তারা মনে করেন, আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পলাতক হওয়া এবং মামলার তদন্তে বিঘ্ন ঘটানোর আশঙ্কা রয়েছে।
শিরীন শারমিনকে মঙ্গলবার ভোরে ধানমন্ডির এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবি সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা মামলাসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে; এর মধ্যে তিনটি মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, বাকি তিনটি বর্তমানে তদন্তাধীন।