শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রতিটি নাগরিকের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে চাই’ : মির্জা ফখরুল সব নাগরিককে বিবেচনায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী মোড়েলগঞ্জে বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত পাতলী খালের পুন:খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এবার বিদায় রাজ্যসভা থেকে কোয়েল মল্লিকের ফাহিমার জন্য ন্যায়বিচার চাই: রোটারিয়ান ড. মীর শাহ আলম সাইবার সুরক্ষা আইনে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ, ভুয়া কনটেন্ট অপসারণে আসছে নতুন বিধান বার কাউন্সিলের এমসিকিউ পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাস ৯ হাজার ২০১ প্রার্থী প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র সালমান শাহর মাকে হুমকির অভিযোগ: কী বললেন অভিনেতা শিবা শানু? বাজেটে সুশাসনের রূপরেখা না থাকায় হতাশ টিআইবি আদ-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নয় অসন্তুষ্ট সরকার চলতি মাসেই ইনু-হানিফের মামলার রায়ের প্রত্যাশা চিফ প্রসিকিউটরের ভয়াবহ গণগুলিবর্ষণে জোহানেসবার্গে নিহত ১২, আহত ৯ ৫৩ কোটি টাকার বিনামূল্যে চারা ও সার বিতরণ করবে সরকার চা বিক্রেতার দাবি ঘিরে তোলপাড়, হাসনাত আবদুল্লাহ নিয়ে নতুন বিতর্ক স্বাস্থ্য খাতে বড় বাজেট, ২৫ লাখ মানুষের জন্য ই-হেলথ কার্ড চালুর উদ্যোগ তিন মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত বাজেট ২০২৬-২৭: কোন পণ্যে মিলবে স্বস্তি, কোথায় বাড়বে খরচ:নিত্যপণ্য থেকে প্রযুক্তি খাতে করছাড়, সিগারেট-রড-বিলাসপণ্যে বাড়ছে চাপ লাইনচ্যুত ট্রেন উদ্ধারে গিয়ে বিপাকে রিলিফ ট্রেনও বন্ধ ময়মনসিংহ-জামালপুর রেল যোগাযোগ
Notice :

শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সহযোগিতা আরও দৃঢ় হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

কথাভিশন রিপোর্ট
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যৌথ সহযোগিতা, শিক্ষার্থী-শিক্ষক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এবং গবেষণা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। তিনি এই মন্তব্য করেন সোমবার রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত ‘পাকিস্তান এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।

মন্ত্রী জানান, দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং বৃত্তি কার্যক্রম শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশে বর্তমানে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রায় ১১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি দেয়। পাকিস্তান পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করছে। আশা করি, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে এবং নতুন সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।

ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারও এক্সচেঞ্জ প্রক্রিয়ার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি জানান, ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ উদ্যোগ ইতোমধ্যেই শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রেখেছে। প্রথম ধাপে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ শুরু করেছেন।

বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের পূর্ণ টিউশন ফি, আবাসন, মাসিক ভাতা, এককালীন সহায়তা এবং যাতায়াত ব্যয় বহন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা প্রকৌশল, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ন্যানোপ্রযুক্তি, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান ও উদীয়মান প্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করছেন।

ইমরান হায়দার জানান, আগামী ১০ দিনে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন ও অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে শিক্ষা মেলার আয়োজন করবে। তিনি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রাম, গবেষণা সহযোগিতা এবং শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রম বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক মানে অগ্রগতিতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থা আমাকে সত্যিই অভিভূত করেছে। তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আন্তর্জাতিক মানে উন্নত এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল স্কলারশিপের সুযোগ তৈরি করেছে যা অত্যন্ত ইতিবাচক।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের শিক্ষার্থীরা সেখানে সুন্দরভাবে পড়াশোনা করবে। পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি দেখে আমরা নিজ দেশে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য আরও উদ্যোগ নিতে পারি। আমাদের দেশের তরুণদের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড কাজে লাগাতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে চাই।

মন্ত্রী এবং হাইকমিশনার উভয়ের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে বিনা খরচে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে, নতুন সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করবে এবং দুই দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে। এ ছাড়া যৌথ গবেষণা, এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, এমওইউ ও শিক্ষক বিনিময় কার্যক্রম শিক্ষাক্ষেত্রকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করার পথ খুলবে।

শিক্ষামন্ত্রী শেষ করেন এই মন্তব্যে, আমাদের শিক্ষার্থীরা পাকিস্তানে গিয়ে মানসম্মান রক্ষা করবে এবং বিশ্বশিক্ষার মানদণ্ডে নিজেদের শীর্ষস্থান অধিকার করবে। আমরা চাই আমাদের দেশে বিদেশি শিক্ষার্থীরাও আসুক যেন আমরা একটি গ্লোবাল ভিলেজে শিক্ষায় মানোন্নয়ন করতে পারি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *