আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে কারণ ইরান আবারও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারির ঘোষণা দিয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে অবরোধের কারণ বা এর বিস্তারিত কার্যকারিতা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল পরিবহন হয়ে থাকে। ফলে এখানে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দ্রুত প্রভাব ফেলে।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে। তবে অবরোধের কারণ বা এর বিস্তারিত কার্যকারিতা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি যার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল পরিবহন হয়ে থাকে। ফলে এখানে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা অবরোধ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দ্রুত প্রভাব ফেলে।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।
ইরানর সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে মার্কিনের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, এই নৌপথ এখন থেকে ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হবে। পাশাপাশি শর্ত দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বন্দরমুখী এবং দেশটি থেকে বের হওয়া জাহাজগুলোর পূর্ণ চলাচল স্বাধীনতা নিশ্চিত না করে তবে এই কড়াকড়ি অব্যাহত থাকবে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দেশটির ওপর মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকবে। একই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখার কথাও আলোচনা হয় যা পরবর্তীতে দুই পক্ষের অবস্থানকে আরও জটিল করে তোলে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের কঠোর অবস্থানের জবাব হিসেবেই ইরান এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে যে কোনো উত্তেজনা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। তথ্যসূত্র হিসেবে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন উল্লেখ করা হয়েছে।