খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ইউনিয়নের বাঁকার চর এলাকায় হাইকোর্টের রিট উপেক্ষা করে কপোতাক্ষ নদে বাঁধ বোরিং করে নোনা পানি উত্তোলন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় ধান, মাছ ও সবজি নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি আম, জাম, কাঁঠাল, কলা, নারিকেলসহ বিভিন্ন গাছপালা ও গবাদিপশু ক্ষতির মুখে পড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার কিছু রাজনৈতিক ও যুবলীগ ও জামায়াতের নেতারা রাতের আঁধারে নদীর বাঁধে কয়েকটি স্থানে বোরিং করে নোনা পানি তুলছেন। এতে ধানক্ষেত পানিবিহীন হয়ে পড়ে, মিঠাপানির মাছ মারা যাচ্ছে। বেগুন, করলা, ঢেড়স, তরমুজ, রসুন ও পেঁয়াজসহ সবজি ক্ষতির মুখে। এছাড়া বিভিন্ন স্কুল, মসজিদ ও মাদ্রাসার পলেসটার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগি স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, রাড়ুলী ইউনিয়নের বাঁকার চর এলাকায় প্রায় ৮৫০ বিঘা জমি রয়েছে এবং লবণ পানি বিরোধী হাইকোর্টের রিটের কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।
পাইকগাছা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম মনিরুল হুদা জানান, নোনা পানি উত্তোলন হলে শিশু, ধানক্ষেত, মাছ, ফসল, গবাদিপশু ও গাছপালাসহ পুরো এলাকার জীববৈচিত্র্য বিপন্ন হবে।
অভিযুক্ত আনিছুর রহমান অভিযোগপ্রাপ্ত বিষয়ে বলেন, ৫ আগস্টের পর আমি পাইকগাছায় যেতে পারিনি। গেলে আমি দেখতাম। কারা আমাদের নামে অভিযোগ করেছে।