শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ধামরাইয়ে ১০ চাকা ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ধামরাইয়ে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা কুড়িগ্রামে সাঁড়াশি অভিযানে ১৭৪টি ‘চায়না দুয়ারি’ ও ৫২টি কারেন্ট জাল ভস্মীভূত আনসার সদস্যদের সাহসিকতায় বড় ধরনের চুরি নস্যাৎ, আটক ৩ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার, চট্টগ্রামে স্বস্তির বার্তা জুলাই আন্দোলন জাতীয় ঐক্যের ফল : সেতুমন্ত্রী গাজীপুরে একের পর এক শিল্পকারখানার উৎপাদন বন্ধ বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের কারাদণ্ড ক্যান্টন ফেয়ার উপলক্ষে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন সহজ করল চীনা দূতাবাস শাহজালাল বিমানবন্দরে বিদেশি এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত ফ্লাইট সাময়িক স্থগিত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিল্পে গ্যাস সংযোগ নয়: তথ্য উপদেষ্টা সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান ববিতার জন্মদিনে ‘ববিতা সমগ্র’, এক ফ্রেমে রুনা লায়লা, শাকিব খানসহ ১২ তারকা মেয়ের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের ‘তারা গণতান্ত্রিক দল কি না, তারাই ঠিক করুক’ : মির্জা ফখরুল ছয় মাসে ১৭৭ গণমাধ্যমে ৬৮১টি ভুল তথ্য শনাক্ত, প্রকাশ্যে রিউমর স্ক্যানারের প্রতিবেদন মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
Notice :

ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনও অক্ষত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সামরিক সক্ষমতা এখনও অক্ষত টানা পাঁচ সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক সামরিক হামলার পরও ইরানের উল্লেখযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এখনো অক্ষত রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাম্প্রতিক মূল্যায়নে এ তথ্য উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা (লঞ্চার) এখনও অক্ষত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির অস্ত্রভাণ্ডারে হাজার হাজার ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন মজুত আছে। কিছু লঞ্চার হামলার কারণে মাটির নিচে চাপা পড়েছে বা অচল হয়ে গেছে, তবে সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি। ফলে, ইরান এখনও পুরো অঞ্চলে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার সক্ষমতা ধরে রেখেছে।

দুটি সূত্রের তথ্যমতে, ইরানের প্রায় ৫০ শতাংশ ড্রোন সক্ষমতা টিকে আছে, অর্থাৎ হাজার হাজার ড্রোন তাদের হাতে রয়ে গেছে। এছাড়া ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ অক্ষত রয়েছে, কারণ যুক্তরাষ্ট্র এসব উপকূলীয় সামরিক স্থাপনায় তুলনামূলক কম হামলা চালিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে ইরানের সামরিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে ধ্বংস হওয়ার দাবি করেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ ক্ষমতা কমে গেছে এবং তাদের অস্ত্র কারখানা ও লঞ্চারগুলো ধ্বংস করা হচ্ছে।

তবে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে ধ্বংসের পরিমাণের চেয়ে ইরানের পাল্টা হামলার হার কমে যাওয়ার দিকে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।

প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এক ব্রিফিংয়ে জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকে মার্কিন বাহিনীর ওপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ৯০ শতাংশ এবং কামিকাজে ড্রোন হামলাও ৯০ শতাংশ কমেছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অক্ষত থাকার দাবির সমালোচনা করে বলেন, বেনামী সূত্রগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক সাফল্যকে খাটো করার চেষ্টা করছে।

তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়েছে এবং তাদের উৎপাদন সক্ষমতার বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *