বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ধামরাইয়ে ১০ চাকা ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ধামরাইয়ে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা কুড়িগ্রামে সাঁড়াশি অভিযানে ১৭৪টি ‘চায়না দুয়ারি’ ও ৫২টি কারেন্ট জাল ভস্মীভূত আনসার সদস্যদের সাহসিকতায় বড় ধরনের চুরি নস্যাৎ, আটক ৩ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার, চট্টগ্রামে স্বস্তির বার্তা জুলাই আন্দোলন জাতীয় ঐক্যের ফল : সেতুমন্ত্রী গাজীপুরে একের পর এক শিল্পকারখানার উৎপাদন বন্ধ বিএনপি-এনসিপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের কারাদণ্ড ক্যান্টন ফেয়ার উপলক্ষে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন সহজ করল চীনা দূতাবাস শাহজালাল বিমানবন্দরে বিদেশি এয়ারলাইন্সের অতিরিক্ত ফ্লাইট সাময়িক স্থগিত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নতুন শিল্পে গ্যাস সংযোগ নয়: তথ্য উপদেষ্টা সেনাপ্রধানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন নৌবাহিনী প্রধান ববিতার জন্মদিনে ‘ববিতা সমগ্র’, এক ফ্রেমে রুনা লায়লা, শাকিব খানসহ ১২ তারকা মেয়ের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ২৬ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: তদন্তে তিন সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের ‘তারা গণতান্ত্রিক দল কি না, তারাই ঠিক করুক’ : মির্জা ফখরুল ছয় মাসে ১৭৭ গণমাধ্যমে ৬৮১টি ভুল তথ্য শনাক্ত, প্রকাশ্যে রিউমর স্ক্যানারের প্রতিবেদন মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
Notice :

হরমুজ প্রণালি বন্ধ, সার সংকট ও খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়ানোর আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সার সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের ফলে সারের চালান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বব্যাপী ফসলের উৎপাদনে ভয়াবহ কমতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সারের দাম বৃদ্ধি পাবে এবং এর ফলে বিশ্বব্যাপী ফসলের ফলন ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। এই সংকট সরাসরি খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হতে পারে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরিও এ বিষয়ে আল জাজিরাকে বলেছেন, ফসল রোপণের সময়কাল সঙ্কটের মুখে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে বীজ বপনের মৌসুম শেষ হয়ে গেছে। বড় রপ্তানিকারক দেশগুলো যেমন : যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রাজিল, ফসল চাষে পরিবর্তন আনতে পারে। তারা এখন গম ও ভুট্টার পরিবর্তে সয়াবিন চাষে ঝুঁকতে পারে।

তোরিও আরও বলেন, অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছু কৃষক জৈব জ্বালানি উৎপাদনে মনোযোগী হতে পারে।

তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, গম ও সয়াবিনের দাম ইতোমধ্যে বেড়ে গেছে এবং আগামী বছর খাদ্যপণ্যের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

এফএওর এই প্রধান বলেন, আমরা উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি এবং উচ্চ পণ্যমূল্য নিয়ে শঙ্কিত। আমাদের খাদ্য শুধুমাত্র কাঁচামাল নয় এর সঙ্গে জ্বালানি খরচও যুক্ত।

এফএও আরও সতর্ক করে জানিয়েছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। দিন যত যাচ্ছে, পরিস্থিতি ততই আরও খারাপ হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *