আবহমান কাল থেকেই শান্তি ও সমৃদ্ধির উপজেলা হিসেবে ধামরাইয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী পরিচিতি রয়েছে। আধুনিক মিল কারখানা বর্তমানে ধামরাইকে করে তুলেছে আরও সমৃদ্ধ। যুগে যুগে এখানে একাধিক ক্ষণজন্মা ব্যক্তির আবির্ভাব ঘটেছে। তারা মনেরমত করে ধামরাইকে সাজাতে চেয়েছেন। কমবেশি অনেকেই চেষ্টা করেছেন। কারো সফলতা হয়তো একটু বেশি আবার কারো বা কম। যাক, সে সব পুরোনো কথা। বর্তমানে ধামরাইয়ের তিন কৃতিসন্তানকে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে অধিষ্ঠীত করে সরকার তাদেরকে তথা সমস্ত ধামরাইবাসীকে সম্মানীত করেছেন। এ কারণে ধামরাইবাসীর কাছে সরকার অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্তির দাবিদার। সম্মানীতরা হলেন, ঢাকা-২০ আসনের এমপি আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ এবং সংরক্ষিত আসনের জন্য মনোনীত সুলতানা আহমেদ। এরা এখন ধামরাইয়ের ত্রি-নক্ষত্র। এদের কাছে ধামরাইবাসীর অনেক আশা ,অনেক প্রত্যাশা। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক নিরাপত্তা। দখল, সন্ত্রাসমুক্ত, ও মাদকমুক্ত নিরাপদ ধামরাই সকলেরই প্রত্যাশা। নিজের সম্পদটুকু আগলে রেখে কাজকর্ম করে খাবে, পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপদে শান্তিতে দিন কাটাবে। শান্তির ঘুমের মধ্য দিয়ে রাত পাড় করবে এটাই ধামরাইয়ের প্রতিটি শান্তিকামী মানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা। অতীত যেমনি হোক এই ত্রি- নক্ষত্রের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ধামরাই হবে একটি ‘অনন্য’ এই আশায় বুক বেধে ফেলেছে ধামরাইয়ের মানুষ। অবশ্যই এঁনারা তাদের পরিশ্রম আর প্রচেষ্টা দিয়ে ধামরাই বাসীকে তাদের চাওয়াটুকু উপহার দিতে সক্ষম হবেন।
আপন আলোয় জ্বলে উঠুক ধামরাইয়ের ত্রি-নক্ষত্র। গড়ে উঠুক আলোকিত অনন্য ধামরাই। পূর্ণ হোক ধামরাইবাসীর মনের আশা।