ইনস্টাগ্রাম বর্তমানে তরুণদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। নিয়মিত রিলস আপলোড করলেও অনেক ব্যবহারকারী প্রত্যাশিত ভিউ ও লাইক পাচ্ছেন না। এতে অনেকে ভাবছেন, সমস্যা হয়তো কনটেন্টে। তবে বাস্তবে বিষয়টি শুধু কনটেন্ট নির্ভর নয় ইনস্টাগ্রামের কিছু সেটিংস ও ব্যবহার পদ্ধতিও রিচ কমিয়ে দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি সাধারণ ভুল ঠিক করলেই রিলসের পারফরম্যান্স অনেকটা উন্নত করা সম্ভব।
অনেক ব্যবহারকারী কম রেজুলেশন বা লো-কোয়ালিটির ভিডিও আপলোড করেন। ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম সাধারণত উচ্চমানের কনটেন্টকে বেশি প্রাধান্য দেয়।
সমাধান হিসেবে ইনস্টাগ্রাম সেটিংসে গিয়ে Data Usage and Media Quality অপশন থেকে Upload at Highest Quality চালু রাখা জরুরি।
ফোনে ব্যাটারি সেভার বা ডাটা সেভার চালু থাকলে ইনস্টাগ্রাম ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসিং ও ভিডিও কোয়ালিটি সীমিত করে ফেলে। ফলে রিলস কম মানুষের কাছে পৌঁছায়।
রিলস পোস্ট করার আগে এসব মোড বন্ধ রাখাই ভালো।
ট্রেন্ডিং অডিও ব্যবহার না করলে ক্ষতি হতে পারে
ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম ট্রেন্ডিং অডিও ব্যবহার করা রিলসকে বেশি প্রোমোট করে। পুরনো বা কম জনপ্রিয় অডিও ব্যবহার করলে রিচ কমে যেতে পারে।
তাই ট্রেন্ডিং মিউজিক ব্যবহার করলে ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
প্রাইভেট অ্যাকাউন্টে রিলস শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ফলোয়ারদের কাছে পৌঁছায়। তাই বেশি ভিউ পেতে অ্যাকাউন্ট পাবলিক রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া প্রফেশনাল অ্যাকাউন্টে রূপান্তর করলে ইনসাইটস দেখে কনটেন্ট উন্নত করা যায়।
অতিরিক্ত বা অপ্রাসঙ্গিক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করলে ইনস্টাগ্রাম সেটিকে স্প্যাম হিসেবে গণ্য করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ৪ থেকে ৬টি প্রাসঙ্গিক হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করাই সবচেয়ে কার্যকর।
রিলস পোস্ট করার সময় যদি দর্শক অনলাইনে না থাকে, তাহলে শুরুতেই এনগেজমেন্ট কম হয়। পরে অ্যালগরিদমও কম প্রোমোট করে।
সাধারণত সকাল ৮–১০টা এবং সন্ধ্যা ৬–১০টা সময়কে সবচেয়ে কার্যকর ধরা হয়।
ইনস্টাগ্রাম রিলসের ভিউ ও লাইক কম পাওয়া সবসময় কনটেন্টের দুর্বলতার কারণে নয়। সঠিক সেটিংস, সময় এবং কৌশল ব্যবহার করলে খুব সহজেই রিচ ও এনগেজমেন্ট বাড়ানো সম্ভব।